Advertisement
Advertisement
Mamata Banerjee

‘দমদমে আধঘণ্টা আটকে বিমান’, হেনস্তার অভিযোগে মমতা বললেন, ‘বিজেপির লোক বসে আছে’

ছাব্বিশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে রাজ্যজুড়ে ঝোড়ো প্রচার করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিদিন একাধিক সভা করছেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১৯:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১৯:২০

options
link
‘দমদমে আধঘণ্টা আটকে বিমান’, হেনস্তার অভিযোগে মমতা বললেন, ‘বিজেপির লোক বসে আছে’ zoom
ফাইল ছবি।

একের পর এক জনসভা। ছাব্বিশের নির্বাচনকে (Bengal Election 2026) পাখির চোখ করে রাজ্যজুড়ে ঝোড়ো প্রচার করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার মুরারইয়ের সভার পর খড়দহের সভায় পৌঁছতে খানিকটা দেরি হয়ে যায় তাঁর। তা নিয়েই মঞ্চ থেকে কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ তুললেন মমতা। তিনি বলেন, “আমি অনেকক্ষণ বেরিয়েছি। রানওয়েতে আমাকে আধঘণ্টা আটকে রাখল। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব প্লেন নামাল, অথচ আমাকে দেরি করিয়ে দিল। গতকাল হেমন্ত সোরেনের কপ্টারও ৪০ মিনিট আটকে রেখেছিল।” এই ঘটনার পিছনেও বিজেপি বলেই দাবি তাঁর। মমতা (Mamata Banerjee) বললেন, ”বিমান বন্দরে সব বিজেপির লোক বসে আছে।”

ঠিক কী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? তাঁর কথায়, “আমি অনেকক্ষণ বেরিয়েছি। রানওয়েতে আমাকে আধ ঘণ্টা আটকে রাখল। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব প্লেন নামাল, অথচ আমাকে দেরি করিয়ে দিল। গতকাল হেমন্ত সোরেনের কপ্টারও ৪০ মিনিট আটকে রেখেছিল। এরা আমাদের সঙ্গে এরকমই ব্যবহার করছে। এয়ারপোর্টে বিজেপির লোকগুলো বসে আছে। লোকের অ্যাক্সিডেন্ট হলে দেখে না, শুধু আমাদের কত দেরি করানো যায় সেই চেষ্টায় থাকে। মাঠের পারমিশন দিতেও দেরি করে। বিজেপি পরিবার দেখে দেখে লোক দায়িত্বে বসিয়েছে। অনেক কষ্ট করে এই মিটিংয়ের পারমিশন নিতে হয়েছে। আমার চারটেয় বেলেঘাটায় মিটিং আছে, তারপর নিজের জায়গায়। পাঁচটায় টাইম ছিল, কিন্তু ফর নাথিং আমাকে দেরি করাল। এটা একটা ডেলিবারেট অ্যাটেম্পট।”

Advertisement

এখানেই শেষ নয়, আরও একাধিক ইস্যুতে এদিন বিজেপিকে আক্রমণ করেন মমতা। বলেন, “পুরো যুদ্ধজাহাজ নিয়ে এসেছে! পহেলগাঁওতে জঙ্গি হানা আটকাতে পারে না, আর বাংলার লোক কি জঙ্গি? আমার প্রশ্ন ভারত সরকারের কাছে-ভোটে কেন মিলিটারি ব্যবহার করছ? তোমরা কি মানুষকে হত্যা করতে চাও, না শান্তিতে নির্বাচন করতে চাও? আমরা শান্তিতে নির্বাচন করব। ওদের বন্দুক আর এজেন্সির জোর বড়, না মানুষের ক্ষমতা বড়-আমি এই চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি। বাংলা যদি আমি বুঝে থাকি, তবে বলছি-ওদের জেতার কোনও ক্ষমতা নেই।” এসআইআর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে কেস করে আমি ৩২ লক্ষ লোকের নাম ভোটার লিস্টে তুলেছি। ইচ্ছা করে আমাদের ভোটার দেখে দেখে নাম কাটা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর লজ্জা হওয়া উচিত। যার কোনও জাত নেই সেই বজ্জাত, আর এরাই জাতের নামে জোচ্চুরি খেলে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.