বনগাঁর ঠাকুরনগরের জনসভায় আরও একবার তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। দাবি করলেন প্রথম দফার ভোটে (WB Assembly Election 2026) তৃণমূলের অহংকার ভেঙে গিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় ভোটের পর বিজেপি সরকার গঠন নিশ্চিত। নতুন সুর বেঁধে বললেন, “প্রথম দফায় ভাঙল টিএমসির অহংকার। দ্বিতীয় দফায় নিশ্চিত বিজেপি সরকার।”
এই বিষয়ে আরও খবর
প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোট হয়েছে। বিজেপি দাবি, করেছে তারা ১১০টি আসন পাবে।মতুয়া অধ্যুষিত ঠাকুরনগরে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনের সভায় নরেন্দ্র মোদি সেই সুর ধরে বলেন, “প্রথম দফায় বাংলার মানুষ অসাধারণ কাজ করেছে। তবে হালকা ভাবে নেবেন না। প্রথম দফার রেকর্ড ভাঙবেন তো?” তারপরই বলেন, “প্রথম দফায় ভাঙল টিএমসির অহংকার। দ্বিতীয় দফায় নিশ্চিত বিজেপি সরকার।”
সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ করে দাবি করেন, হুগলি নদীর এপারে অনেক পাট কারখানা ছিল। কিন্তু ১৫ বছরে তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরে অনেক পাটকল বন্ধ হয়েছে। একটা কারখানাই চলছে, তা হল সিন্ডিকেটের কাটমানি, কমিশন আদায়।’’ এ কথা বলে গুন্ডাদের হুঁশিয়ারী দিয়েছেন, বিজেপি সরকার তৈরি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঠাকুরনগর-সহ সংলগ্ন বিধানসভাগুলি মতুয়া অধ্যুষিত। তাঁরাই নির্য়াণক ভূমিকা নিয়ে থাকে। তৃণমূল থেকে বিজেপি তাঁদের নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা করে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় বহু মতুয়াদের নাম বাদ গিয়েছে। ক্ষোভ রয়েছে মতুয়াদের মধ্যে। সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা করে মোদি বলেন, “শরনার্থীদের কষ্ট আমরা বুঝি, তাই আমি সিএএ নিয়ে এসেছি। কিন্তু তৃণমূল সেই আইন বাতিলের কথা বলে।”
এরপর তৃণমূলের মা-মাটি-মানুষের স্লোগানকে তুলে এনে শাসকদলকে আক্রমণ করেন মোদি। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার মা-মাটি-মানুষের কথা বলে ক্ষমতায় এলেও এখন আর সেই কথা শোনা যায় না। তাঁর কথায়, “১৫ বছর আগে তৃণমূল মা-মাটি-মানুষের কথা বলে ক্ষমতায় এসেছিল। এখন তৃণমূলের নেতারা সেই কথা বলেন না। কারণ, মা-মাটি-মানুষের কথা বললে ওদের পাপ সামনে চলে আসবে। মা কাঁদছে। মাটিকে ওরা সিন্ডিকেট আর অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দিয়েছে। মানুষ পালিয়েছে।” এই সভা থেকে ফের অনুপ্রবেশকারীদের বাংলা ছেড়ে ফিরে যাওয়ার কথা বলেছেন মোদি।
ঠাকুরনগর-সহ সংলগ্ন বিধানসভাগুলি মতুয়া অধ্যুষিত। তাঁরাই নির্য়াণক ভূমিকা নিয়ে থাকে। তৃণমূল থেকে বিজেপি তাঁদের নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা করে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় বহু মতুয়াদের নাম বাদ গিয়েছে। ক্ষোভ রয়েছে মতুয়াদের মধ্যে। সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা করে মোদি বলেন, “শরনার্থীদের কষ্ট আমরা বুঝি, তাই আমি সিএএ নিয়ে এসেছি। কিন্তু তৃণমূল সেই আইন বাতিলের কথা বলে।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
ছাব্বিশে ফিরল ʼ১৪-র স্মৃতি, ৭ গোল দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু জার্মানির
-
সই জাল কাণ্ডে কুণাল-অভিষেককে মুখোমুখি জেরা, বয়ানে অসংগতি সাংসদের! ফের তলবের ভাবনা সিআইডির
-
লেবানন নিয়ে ইজরায়েল-ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা, ‘আমরা শান্তির দোরগোড়ায়’, বার্তা ট্রাম্পের
-
ক্রিকেট মাঠে ফের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ ভারতের, পাকিস্তানকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু স্মৃতি-দীপ্তিদের
-
হাতের সঙ্গে জুড়ছে মমতার তৃণমূল? জল্পনার মাঝেই ২১ জুলাই ‘শহিদ তর্পণে’ রাহুলকে আনার প্রস্তুতি প্রদেশ কংগ্রেসের
নিবেদিত






