বাংলায় শুরু প্রথম দফার নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। ভোট শুরু হতেই বাংলায় পোস্ট করে মহিলা ও যুবসমাজকে ভোট দিতে যাওয়ার অনুরোধ নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)। বৃহস্পতিবার দিনভর বাংলায় ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। বঙ্গে ভোটপ্রচার সারবেন অমিত শাহ। ভোটের দিন বাংলায় মোদি-শাহের উপস্থিতি কার্যত নজিরবিহীন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবে ‘ক্যাপচার স্ক্রিন’ কৌশলেই ভোটারদের টানার চেষ্টা গেরুয়া শিবিরের।
এই বিষয়ে আরও খবর
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ আজ। আমি সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। আমি বিশেষভাবে আমার তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেবার জন্য অনুরোধ করছি।
Advertisement— Narendra Modi (@narendramodi) April 23, 2026
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় দমদম বিমানবন্দরে নামার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখান থেকে বায়ু সেনার বিশেষ হেলিকপ্টারে যাবেন কৃষ্ণনগর। সাড়ে ১২টায় কৃষ্ণনগরে জনসভা। সেখান থেকে যাবেন মথুরাপুর। মথুরাপুরে দুপুর ২টো ৪৫ মিনিটে সভা রয়েছে। মথুরাপুর লোকসভার কাকদ্বীপ স্টেডিয়াম মাঠে হবে সভা। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টের সময় হাওড়ায় রোড শো। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়ার কথা রয়েছে বেলুড়মঠে। সেখানে মঠ পরিদর্শন ও মহারাজদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তারপর বেলুড় থেকে সালকিয়া চৌরাস্তা পর্যন্ত করবেন রোড শো।
হাওড়ার ভোট প্রচার সেরে সোজা রাজভবনে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই রাত্রিবাস করবেন। পরদিন অর্থাৎ ২৪ এপ্রিল আরও একাধিক ভোট প্রচার রয়েছে মোদির। বারুইপুরের চম্পাহাটিতে তাঁর জনসভা আছে। পানিহাটিতেও একটি জনসভা করবেন। সেখানে মোদির মঞ্চে থাকবেন পানিহাটির বিজেপি প্রার্থী অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। শুক্রবার পানিহাটির অমরাবতী মাঠের সভা থেকে মোদি কি বার্তা দেন সেদিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।
এদিকে, অমিত শাহরও একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। শাহের প্রথম সভাটি হবে হুগলির বলাগড়ে। এরপর দ্বিতীয় জনসভাটি হওযার কথা রয়েছে আরামবাগের পুরশুড়ায়। বিকেলে অমিত শাহ যাবেন উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে। সেখানে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে একটি বর্ণাঢ্য রোড শো করার কথা রয়েছে তাঁর। বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপি অত্যন্ত সচেতনভাবেই প্রথম দফার ভোটের দিন প্রচারের জন্য হাওড়া, হুগলি ও দুই ২৪ পরগনা জেলাকে বেছে নিয়েছে। ১৫২টি আসনের ভোট (West Bengal Assembly Election) চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রাজ্যে উপস্থিত থাকা আদতে রাজ্যের অন্যান্য দফার ভোটারদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে প্রভাবিত করার একটি বড় কৌশল বলেই মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে দলীয় কর্মীদের মনোবল বাড়ানো।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
পাহাড় থেকে সাগরে উন্নয়ন! অর্থমন্ত্রীর হাত ধরে সেজে উঠবে কল্লোলিনী, স্বপন দাশগুপ্তর প্রশংসায় মুখ্যমন্ত্রী
-
বিশ্বকাপের মঞ্চে ‘দেশবিরোধী’ আচরণ! রোহিতের পরে এবার তুমুল কটাক্ষের শিকার মিতালি রাজ
-
‘খান স্যার খুন করেছে আমার ভাইকে’, প্রিন্সের রহস্যমৃত্যুতে বিস্ফোরক রোশন
-
ক্লাসের বদলে বন্ধ ঘরে কুকীর্তি! কন্ডোম উদ্ধার হতেই প্রধান শিক্ষকের উপর ‘ডিম-থেরাপি’
-
‘ইন্ডিয়া’য় বিষ ঢেলেছে কে? বিরোধী জোটে ‘ফাটলে’ রাহুলকেই দায়ী করল ডিএমকে
নিবেদিত






