Advertisement
Advertisement
Nitin Nabin

‘ঘড়ি ধরে কাজ করবেন না, কর্মীদের পাশে থাকুন’, বিজেপি কর্মীদের বার্তা নীতিন নবীনের

দু'দিনের কলকাতা সফরে এসে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্বাচনের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিলেন।

Advertisement
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৬, ১২:৫৯

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৬, ১২:৫৯

options
link
‘ঘড়ি ধরে কাজ করবেন না, কর্মীদের পাশে থাকুন’, বিজেপি কর্মীদের বার্তা নীতিন নবীনের zoom
নির্বাচনী প্রস্তুতি বৈঠকে নীতিন নবীন। নিজস্ব চিত্র

ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। ব্লুপ্রিন্ট ছকে বিরোধীদের পরাস্ত করতে তৈরি রাজনৈতিক দলগুলি। তবে বঙ্গ বিজেপি যেন এখনও ধরাশায়ী। বিশেষত ‘প্রবাসী’ নেতাদের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দু’দিনের কলকাতা সফরে এসে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন (Nitin Nabin) দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্বাচনের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিলেন।

‘প্রবাসী’ নেতাদের উদ্দেশে বলেন, “আসবেন। ঘুরে বেড়াবেন। এটা করবেন না। আর এটা অফিশিয়াল ডিউটি নয়। যে ঘড়ি ধরে কাজ করবেন চলে যাবেন। কর্মীদের পাশে থাকুন। আর যদি কাজ করতে অপছন্দ হয়, তাহলে বলে দিন। অন্যরা আছেন।”

রাজ্যের বিভিন্ন জেলার দায়িত্বে ভিনরাজ্যের নেতারা। সেইসব ‘প্রবাসী’ নেতাদের পারফর্ম্যান্সে নাকি মোটেই খুশি নন নীতিন নবীন। তিনি ‘প্রবাসী’ নেতাদের উদ্দেশে বলেন, “আসবেন। ঘুরে বেড়াবেন। এটা করবেন না। আর এটা অফিশিয়াল ডিউটি নয়। যে ঘড়ি ধরে কাজ করবেন চলে যাবেন। কর্মীদের পাশে থাকুন। আর যদি কাজ করতে অপছন্দ হয়, তাহলে বলে দিন। অন্যরা আছেন।” সমস্ত মোর্চার নেতাদের আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একাধিকবার বাংলার শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন নীতিন নবীন। কেবল বিজেপি নেতাদের মঞ্চে থাকলেই হবে না, বদলে পথে নামতে হবে বলেই পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, গেরুয়া নেতা-কর্মীদের পৌঁছে যেতে হবে মানুষের মধ্যে, তাঁদের কাছে। তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, বড় মঞ্চ, বড় সভার রাজনীতি আপাতত গৌণ। মানুষের কাছে পৌঁছতে হলে রাস্তায় নামতেই হবে, সেটাই মুখ্য। প্রয়োজনে ছোট ছোট সভা, পাড়ায় পাড়ায় কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে হবে বলেও জানিয়েছিলেন। মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা, সুবিধা-অসুবিধা, ক্ষোভ ও প্রত্যাশার ‘পালস’ বুঝে তবেই রাজনৈতিক লড়াই জোরদার করা সম্ভব। শুধু বক্তব্য নয়, মাঠে নেমে উপস্থিতির মাধ্যমেই বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করতে হবে বলেও তিনি জোর দেন। ঠিক ভোটের মুখে নেতানেত্রীদের আরও বেশি মানুষের কাছাকাছি পৌঁছনোর বার্তাই দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.