Advertisement
Advertisement
Rajarhat-Newtown

প্রচারে মহিলাদের হেনস্তা! বিজেপি প্রার্থীকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতেই ধস্তাধস্তি, উত্তপ্ত রাজারহাট-নিউটাউন

'গো ব্যাক' স্লোগান। পাল্টা 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান। উত্তপ্ত রাজৈরহাট নিউটাউনের ৪ নম্বর ওয়ার্ড। নারায়ণপুরের গোপালপুর হাউসিংয়ে বিজেপি প্রার্থী পীযূষ কানুড়িয়া প্রচারে যেতেই তুমুল উত্তেজনা। স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা-ধস্তাধস্তি। এলাকার মহিলাদের হেনস্তার অভিযোগ বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

Advertisement
বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ২০:১৮

link
বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ২০:১৮

options
link
প্রচারে মহিলাদের হেনস্তা! বিজেপি প্রার্থীকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতেই ধস্তাধস্তি, উত্তপ্ত রাজারহাট-নিউটাউন zoom
রাজারহাট নিউটাউনের বিজেপি প্রার্থীকে 'গো ব্যাক', বচসা-ধস্তাধস্তি। নিজস্ব ছবি।

‘গো ব্যাক’ স্লোগান। পালটা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান। উত্তপ্ত রাজৈরহাট নিউটাউনের ৪ নম্বর ওয়ার্ড। নারায়ণপুরের গোপালপুর হাউসিংয়ে বিজেপি প্রার্থী পীযূষ কানুড়িয়া প্রচারে যেতেই তুমুল উত্তেজনা। স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা-ধস্তাধস্তি। এলাকার মহিলাদের হেনস্তার অভিযোগ বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা। দলবল নিয়ে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র রাজারহাট-নিউটাউনে প্রচারে যেতেই বিজেপি প্রার্থী পীযূষ কানুড়িয়ার বিরুদ্ধে উঠল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। বাধা পেতেই রণদেহিং মূর্তি বিজেপি প্রার্থীর। রীতিমতো হাতে থাকা দলীয় ঝান্ডা তুলে স্থানীয়দের গুঁতিয়ে এগোতে থাকলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এমনকী মহিলারা বাধা দিতে গেলেও রেয়াত করা হয়নি তাঁদের। অভিযোগ, বিজেপির কর্মী সমর্থকরা কার্যত ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন মহিলাদের। আর এই ঘটনাতেই তুমুল তেতে ওঠেন এলাকাবাসীরা। রাস্তায় নেমে পড়েন শয়ে শয়ে মানুষ। বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে লাগাতার ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। পাল্টা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা।

Advertisement

স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘পাঁচ বছরে এলাকায় দেখা যায়নি বিজেপির কোনও কর্মকর্তাকে। এখন ভোটের মুখে এলাকা দখল করে পতাকা লাগাতে এসেছে। মহিলাদের রীতিমতো ধাক্কা দিয়ে এলাকায় ঢুকে পড়েছে তাঁরা। আমফান, করোনায় মতো বিপদের সময় বিজেপির একটা লোকের মুখ দেখতে পাইনি, রাতবিরেতে অ্যাম্বুল্যান্সের দরকার হলে একমাত্র তাপস চ্যাটার্জিকে পাওয়া গেছে। আর এখন এলাকায় ঢুকে জোর খাটাচ্ছে বিজেপি।’

বিজেপি প্রার্থী প্রচারে যেতেই ক্ষোভ উগড়ে দেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, ‘পাঁচ বছরে এলাকায় দেখা যায়নি বিজেপির কোনও কর্মকর্তাকে। এখন ভোটের মুখে এলাকা দখল করে পতাকা লাগাতে এসেছে। মহিলাদের রীতিমতো ধাক্কা দিয়ে এলাকায় ঢুকে পড়েছে তাঁরা। আমফান, করোনায় মতো বিপদের সময় বিজেপির একটা লোকের মুখ দেখতে পাইনি, রাতবিরেতে অ্যাম্বুল্যান্সের দরকার হলে একমাত্র তাপস চ্যাটার্জিকে পাওয়া গেছে। আর এখন এলাকায় ঢুকে জোর খাটাচ্ছে বিজেপি।’

ক্ষোভের মুখে বিজেপি প্রার্থী পীযূষ কানুড়িয়ার হুঁশিয়ারি, “এইভাবে আমাদের আটকানো যাবে না, আমরা কাউকে ভয় পাই না।” প্রসঙ্গত, এর আগেও রাজারহাট গোপালপুর এলাকায় প্রচারে গিয়ে বারবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে দেখা গেছে বিজেপি প্রার্থীকে। নির্বাচনের আগেই পীযূষ কানুড়িয়ার প্রতিকূলে বইছে হাওয়া। তাতে ভোটবাক্সে মানুষের মন পাওয়া কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে  বিজেপের কাছে, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.