Advertisement
Advertisement
বঙ্গে পালাবদল
West Bengal Assembly Result

পালাবদল হতেই খুলল ১৫ বছর ধরে বন্ধ থাকা দুর্গা মন্দির, পুজো দিয়ে উচ্ছ্বসিত বাসিন্দারা

১৫ বছর ধরে বন্ধ ছিল দরজা। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিততেই খুলল সেই দুর্গা মন্দিরের দরজা। মন্দির চত্বর পরিষ্কার হল। মহা ধুমধাম করে হল দেবীর পুজো। উচ্ছ্বাস দেখা গেল এলাকার সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে।

Advertisement
শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২০:৩০

link
শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২০:৩০

options
link
পালাবদল হতেই খুলল ১৫ বছর ধরে বন্ধ থাকা দুর্গা মন্দির, পুজো দিয়ে উচ্ছ্বসিত বাসিন্দারা zoom
মন্দিরে চলছে পুজো। নিজস্ব চিত্র

১৫ বছর ধরে বন্ধ ছিল দরজা। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিততেই খুলল সেই দুর্গা মন্দিরের দরজা। মন্দির চত্বর পরিষ্কার হল। মহা ধুমধাম করে হল দেবীর পুজো। উচ্ছ্বাস দেখা গেল এলাকার সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে। এবার থেকে ওই মন্দির সবসময় সাধারণ মানুষের জন্য খোলা থাকবে। সেই কথাও জানানো হয়েছে।

আসানসোলের বস্তিন বাজার এলাকার ওই দুর্গা মন্দির অনেক দশকের পুরনো। একসময় নিয়মিত ওই মন্দিরে পুজো হত। কিন্তু ২০০৯ সাল থেকে প্রশাসনের নির্দেশে ওই মন্দিরের দরজা বন্ধ করা হয়। এই মন্দিরের দরজা খোলার পর এলাকায় এখন উৎসবের মেজাজ। ​জানা গিয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে  উত্তেজনার অজুহাতে স্থানীয় প্রশাসন এই মন্দিরে নিয়মিত পুজো অর্চনা বন্ধ করে দিয়েছিল। মন্দির কমিটির সদস্য রাহুল শর্মার দাবি, তাঁদের কাছে হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে দীর্ঘদিন মন্দিরটি তালাবন্ধ থাকে। সমাজকর্মী সঞ্জয় আগরওয়াল জানান, ২০১১ সালের পর থেকে কড়াকড়ি আরও বৃদ্ধি পায়। সারা বছর মন্দির বন্ধ রেখে কেবল দুর্গাপুজো, লক্ষ্মী ও কালীপুজোর সময় সীমিত সময়ের জন্য অনুমতি দেওয়া হত। তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হত স্থানীয় বাসিন্দাদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
মন্দিরের বাইরে মানুষের উচ্ছ্বাস। নিজস্ব চিত্র

অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভোটের প্রচারে আসার দিনেও সেই মন্দিরের দরজা খোলা হয়নি বলে অভিযোগ। তবে রাজনীতির পালাবদলের পরেই এই মন্দির খোলার জন্য উদ্যোগী হয়ে উঠেছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। পশ্চিম বর্ধমানের ৯টি আসনে বিজেপি জয়ী হয়েছে। আর তারপরেই মন্দির খোলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। প্রসঙ্গত, আসানসোল উত্তর কেন্দ্রের নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, জয়ী হলে তিনি এই মন্দিরের তালা খুলবেন। মন্দির কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শিবপ্রসাদ বর্মন বলেন, “কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় এখান থেকেই তাঁর নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছিলেন এবং কথা দিয়েছিলেন জয়ী হলে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে মন্দিরের দরজা খুলে দেবেন। আজ সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হল।”

মঙ্গলবার সকাল থেকেই দেখা যায় স্থানীয় মানুষ ও মন্দির কমিটির সদস্যরা মন্দির প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে হাত লাগিয়েছেন। মন্দিরে বেজে ওঠে কাঁসর-ঘণ্টার শব্দ। রাহুল শর্মা একে “ভ্রাতৃত্বের জয়” হিসেবে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর নিয়মিত পুজোর অধিকার ফিরে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা একে “দীপাবলি”র মতো উৎসব হিসেবে পালন শুরু করেন। ​বর্তমানে প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং স্থানীয়দের উৎসাহে মন্দিরে নিয়মিত ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান শুরু করার চলছে জোর প্রস্তুতি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.