Advertisement
Advertisement
Asit Mazumdar

‘রাজনীতি আর করব না’, প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকায় ‘অসন্তুষ্ট’ অসিত

চুঁচুড়ায় এবার শাসক শিবিরের বাজি দেবাংশু ভট্টাচার্য। কেন বর্ষীয়ান নেতার পরিবর্তে তরুণ তুর্কিতে আস্থা রাখল ঘাসফুল শিবির, সে বিষয়ে দলের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২৬, ২১:৩২

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২৬, ২১:৩২

options
link
‘রাজনীতি আর করব না’, প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকায় ‘অসন্তুষ্ট’ অসিত zoom
চুঁচুড়ায় টিকিট না পাওয়ায় হতাশ অসিত মজুমদার। নিজস্ব চিত্র

তিনবারের বিধায়ক। দুঁদে রাজনীতিক। তা সত্ত্বেও ছাব্বিশের ভোটযুদ্ধে (West Bengal Assembly Election) তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় নেই তাঁর নাম। চুঁচুড়ায় এবার শাসক শিবিরের বাজি দেবাংশু ভট্টাচার্য। কেন বর্ষীয়ান নেতার পরিবর্তে তরুণ তুর্কিতে আস্থা রাখল ঘাসফুল শিবির, সে বিষয়ে দলের তরফে কিছু জানানো হয়নি। তবে এই সিদ্ধান্তে ‘অভিমানী’ অসিত মজুমদার (Asit Mazumdar)।

Asit-Majumdar-2
ছাব্বিশের নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ায় হতাশ অসিত মজুমদার। নিজস্ব চিত্র

অসিতবাবু বলেন, “রাজনীতি আর করব না। আইনজীবীর ডিগ্রি আছে। বার কাউন্সিলের সার্টিফিকেটও আছে। প্রয়োজনে আবার ওকালতিতে ফিরে যাব।” যুবনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যকে নিয়ে বর্ষীয়ান নেতা বলেন, “দল যা ভালো বুঝেছে করেছে। দেবাংশু আমার থেকে আরও বেশি লড়াকু, দেখা যাক কী হয়।”

কংগ্রেসি ঘরানায় রাজনীতি শুরু করেন অসিত মজুমদার। ছাত্রাবস্থা থেকেই ছাত্র পরিষদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তৃণমূলে যোগ দেন। এবং সিঙ্গুর আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা নেন। ২০১১ সালে প্রথমবার চুঁচুড়া থেকে প্রার্থী হন। প্রাক্তন মন্ত্রী ফরওয়ার্ড ব্লকের নরেন দে-কে হারিয়ে বিধায়ক হন। এরপর ২০১৬ ও ২০২১ সালে দুই নির্বাচনেই জয় পান তিনি। ২০২১ সালে বিজেপির প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে হারান। বর্ষীয়ান নেতা অসিত মজুমদারের গলায় এখন শুধুই আক্ষেপের সুর। বলেন, “রাজনীতি আর করব না। আইনজীবীর ডিগ্রি আছে। বার কাউন্সিলের সার্টিফিকেটও আছে। প্রয়োজনে আবার ওকালতিতে ফিরে যাব।” যুবনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যকে নিয়ে বর্ষীয়ান নেতা বলেন, “দল যা ভালো বুঝেছে করেছে। দেবাংশু আমার থেকে আরও বেশি লড়াকু, দেখা যাক কী হয়।”

Advertisement

তৃণমূলের তরুণ তুর্কি হিসাবে পরিচিত দেবাংশু ভট্টাচার্য। তৃণমূলের রাজ্য আইটি সেলের প্রধান তিনি। গত একুশের নির্বাচনে টিকিট পাবেন বলেই শোনা গিয়েছিল। তবে শেষমেশ তা আর হয়নি। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে প্রথমবার ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হন তিনি। তমলুক আসন থেকে ভোটে লড়েন। বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় তাঁর। যদিও জয়ের হাসি হাসতে পারেননি দেবাংশু।

Mamata-Debangshu
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেবাংশু ভট্টাচার্য। ফাইল ছবি

তারপরেও অবশ্য দমেননি যুবনেতা। বরং দল যখন যেভাবে বলেছে সেভাবেই লড়ে গিয়েছেন। রাজনৈতিক ওয়াকিবহালদের মতে, সেই লড়াই দেখেই তাঁকে ছাব্বিশে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত দলের শীর্ষনেতৃত্বের। প্রার্থী হওয়ার পর দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানান তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.