Advertisement
Advertisement
Kalyan Banerjee

‘বরকে দেখার দরকার নেই, দলের কাজ করুন’, কর্মীদের ভোট ‘টিপস’ কল্যাণের

Bengal Election 2026: বাঁকুড়ার সতীহাট এলাকায় কর্মিসভা করেন কল্যাণ। প্রার্থী অনুপ মণ্ডলের হয়ে প্রচার সারেন। দলীয় কর্মীদের নানা টিপস দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১৮:১৪

link
টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১৮:১৪

options
link
‘বরকে দেখার দরকার নেই, দলের কাজ করুন’, কর্মীদের ভোট ‘টিপস’ কল্যাণের zoom
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র।

ভোট একেবারে দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। এই সময় মিটিং, মিছিল-সহ দলের কাজের যেন শেষ নেই। দলীয় নেতাকর্মীদের নাওয়া খাওয়ার সময় নেই। এই কটাদিন দলের হয়ে প্রাণ বাজি রেখে কাজের টিপস তৃণমূলের তারকা প্রচারক তথা শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee)।

বাঁকুড়ার সতীহাট এলাকায় কর্মিসভা করেন কল্যাণ। প্রার্থী অনুপ মণ্ডলের হয়ে প্রচার সারেন। অনুপ মণ্ডল পেশা চক্ষু চিকিৎসকর। তাঁর জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী সাংসদ। প্রশংসার সুরে বলেন, “ডাক্তার দুই ধরনের। পকেট কাটা এবং মানুষের সেবা করা ডাক্তার। অনুপ দ্বিতীয়টা। মানুষ ওঁকে খুব ভালোবাসেন।” কল্যাণের আশা, “ডাক্তারবাবু আগামী দিনে বাঁকুড়ার উন্নয়নের অনেক কাজ করবেন।”

Advertisement

মহিলা কর্মীদের বলেন, “বরকে এখন দেখার দরকার নেই। বর বরেরটা বুঝে নেবে। স্বামী ও সংসারের জন্য রান্নাবান্না করতে যে সময় খরচ হয়, তা এখন দলে দিন। এখন তো জোম্যাটো-টোম্যাটো কী সব হয়েছে। অর্ডার দিলে খাবার নিয়ে আসে। স্বামীদের অর্ডার দিয়ে খেতে বলুন। বলবেন, এবার কয়েকদিন তোমাকে লাইসেন্স দিয়ে দিলাম। তুমি যা ইচ্ছে খাও, যা ইচ্ছা করো, আমাকে এখন নির্বাচনটা করতে দাও।”

তবে প্রার্থীকে জেতাতে ভোটের (Bengal Election 2026) আগের কটাদিন নিরন্তর পরিশ্রম করতে হবে বলেই জানান কল্যাণ। দলের পুরুষ কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ভোট বাকি মাত্র কটাদিন। বাড়িতে যদি বাচ্চা থাকে দেখুন। বরকে এখন দেখার নেই। বরদেরও ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত বউকে অত গ্রাহ্য করার দরকার নেই। যাঁরা চাকরি করছেন, ছুটি নিন। শুধু ভোটটা করুন। বউরা বললে সিনেমা-ফিনেমা, বাজার, ফুচকা খাওয়া পরে হবে।”

তিনি মহিলা কর্মীদের বলেন, “বরকে এখন দেখার দরকার নেই। বর বরেরটা বুঝে নেবে। স্বামী ও সংসারের জন্য রান্নাবান্না করতে যে সময় খরচ হয়, তা এখন দলে দিন। এখন তো জোম্যাটো-টোম্যাটো কী সব হয়েছে। অর্ডার দিলে খাবার নিয়ে আসে। স্বামীদের অর্ডার দিয়ে খেতে বলুন। বলবেন, এবার কয়েকদিন তোমাকে লাইসেন্স দিয়ে দিলাম। তুমি যা ইচ্ছে খাও, যা ইচ্ছা করো, আমাকে এখন নির্বাচনটা করতে দাও।” কল্যাণের এই টিপস শুনে কর্মী-সমর্থকরা আরও অক্সিজেন পাচ্ছেন বলেই মত দলীয় নেতৃত্বের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.