প্রথম দফা ভোটের (West Bengal Assembly Election) আর বাকি প্রায় ৬০ ঘণ্টা। ঠিক এই সময় থেকেই ‘অ্যাকশন’ মোডে পুলিশ। সোমবার রাতে নন্দীগ্রাম থেকে আটক হলেন ১ নং ব্লকের অন্তর্গত ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল প্রধান তথা তৃণমূল নেতা হাবিবুর রহমান। তাঁর বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ উঠেছে। যদিও পুলিশ কোনও অর্থ এখনও পর্যন্ত পায়নি হাবিবুরের থেকে। এনিয়ে রাতে এলাকায় বেশ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। নন্দীগ্রাম থানায় যাচ্ছে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের প্রার্থী পবিত্র করও থানায় ছুটেছেন বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশ এনিয়ে মুখ খুলতে নারাজ।
সম্প্রতি ভোটপ্রচারে গিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ভোটের সময়ে বাংলাকে অস্থির করে তুলতে নানা ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি। আগামী ১৫০ ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে সোমবারই সাংবাদিক বৈঠকে শশী পাঁজা, ডেরেক ও ব্রায়েন সতর্ক করেছেন। তাঁদের সেই আশঙ্কা মিলিয়ে সোমবার রাতেই নন্দীগ্রামে শুরু হল পুলিশের ‘অতিসক্রিয়তা’। টাকা বিলির অভিযোগে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম নেতা, একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ শেখ সুফিয়ানের জামাই হাবিবুর রহমানকে আটক করল পুলিশ।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি ভোটপ্রচারে গিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ভোটের সময়ে বাংলাকে অস্থির করে তুলতে নানা ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি। আগামী ১৫০ ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে সোমবারই সাংবাদিক বৈঠকে শশী পাঁজা, ডেরেক ও ব্রায়েন সতর্ক করেছেন। তাঁদের সেই আশঙ্কা মিলিয়ে সোমবার রাতেই নন্দীগ্রামে শুরু হল পুলিশের ‘অতিসক্রিয়তা’। টাকা বিলির অভিযোগে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম নেতা, একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ শেখ সুফিয়ানের জামাই হাবিবুর রহমানকে আটক করল পুলিশ। জানা যাচ্ছে, তাঁর বাড়ি থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে থানায়।
এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় হইহই শুরু হয়। পুলিশি অ্যাকশনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী, সমর্থকরা। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে থানায় গিয়ে বাইরে বিক্ষোভ দেখান। খবর পৌঁছয় জেলায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে। নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর-সহ দলের নেতারা থানায় যান। সূত্রের খবর, আটক নেতা হাবিবুরের কাছ থেকে কোনও টাকা পাওয়া যায়নি। তাহলে কেন টাকা বিলির অভিযোগে তাঁকে থানায় তুলে আনা হল? এই প্রশ্ন তুলছে শাসক শিবির। তাদের অভিযোগ, নন্দীগ্রামে বিজেপি হারবে, তা বুঝে তৃণমূলকে আটকাতে পুলিশে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। এই মুহূর্তে জেলা পুলিশ নির্বাচন কমিশনের আওতায়। তাই তারাও বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যতা যাচাই না করেই তৃণমূল নেতাকে আটক করেছে বলেও অভিযোগ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘বহিষ্কৃত’ ঋতব্রত কীভাবে বিরোধী দলনেতা? হাই কোর্টে সওয়াল কল্যাণের
-
অথিতির যৌনগন্ধী মন্তব্যে চরমে বিতর্ক! এবার সঞ্চালক প্রণীতের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর
-
রাত বাড়লেই বাড়ছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা; কেন হয়, দমন করা যায় কীভাবে?
-
সাঁড়াশি চাপে অভিষেক! সই জাল কাণ্ডের পর ডিজে মন্তব্যের মামলাও গেল সিআইডির হাতে
-
উত্তরের সঙ্গে জুড়বে দক্ষিণবঙ্গ, দার্জিলিং-গঙ্গাসাগর হাইওয়ের ঘোষণা পূর্তমন্ত্রীর
নিবেদিত


