Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা, মৃত্যুদণ্ডের আদেশ ১০ জঙ্গিকে

ঘটনার ১৭ বছর পর রায় আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৭, ১১:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৭, ১১:০৬

options
link
শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা, মৃত্যুদণ্ডের আদেশ ১০ জঙ্গিকে zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুনের চেষ্টা করেছিল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ। অবশেষে সেই মামলার রায় ঘোষিত হল। দোষী সাব্যস্ত জঙ্গিগোষ্ঠীর ১০ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে ঢাকার ট্রাইব্যুনাল।

রবিবার ঢাকার ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি মমতাজ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন। ১৭ বছর আগের ঘটনায় আদালত দশ অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছে। যাদের ফায়ারিং স্কোয়াডের সামনে দাঁড় করিয়ে মৃত্যুদণ্ড বলবৎ করা হবে। এর পাশাপাশি বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলায় ২৫ জন অভিযুক্তদের তালিকায় নাম ছিল হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নানেরও। তবে অন্য একটি মামলায় তার ফাঁসির সাজা আগেই কার্যকর হয়েছে। তাই এই মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয় তাকে। এদিকে, আসামীদের মধ্যে ১২ জন কারাগারে রয়েছে এবং ১২ জন পলাতক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ধেয়ে আসছে দৈত্যাকৃতির গ্রহাণু, ১ সেপ্টেম্বরই কি পৃথিবীর শেষ দিন?]

২০০০ সালের ২০ জুলাই নিজের জন্মভূমি ও নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল হরকাতুল জিহাদ। কোটালিপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান কলেজে শেখ হাসিনার ভাষণের জন্য মঞ্চ তৈরি হয়েছিল। সেই সময় মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছিল ৭৬ কেজি ওজনের বোমা। হাসিনার ভাষণের দু’দিন আগেই যা উদ্ধার করা হয়। পরদিন ৮০ কেজি ওজনের আরও একটি বোমা উদ্ধার করা হয় কোটালিপাড়ার হেলিপ্যাড থেকে। ফলে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

[শপিং মলে গুলির শব্দ, বন্দুকবাজের আতঙ্ক মিয়ামিতে]

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০১০-এর সেপ্টেম্বরে মামলা দু’টি গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা-সহ হরকাতুল জিহাদের ১৩টি নাশকতামূলক ঘটনায় শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যার পিছনে মূল ব্যক্তি হিসেবে মুফতি হান্নানকে দায়ী করা হয়। গোপালগঞ্জেই মুফতি হান্নানের বাড়ি৷ পাকিস্তানের মাদ্রাসায় পড়তে গিয়ে তার সন্ত্রাসে হাতেখড়ি। আফগানিস্তান সীমান্তে যুদ্ধেও অংশ নিয়েছিল সে। ২০০৫ সালের ১ অক্টোবর ঢাকার বাড্ডা থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে এই জঙ্গি নেতা কারাগারেই ছিল। ২০০৪ সালে ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এবছর তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.