সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিংসা জর্জর এবং সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর পাকিস্তানে ফের বইল রক্তস্রোত। নিষিদ্ধ বিদ্রোহী সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবানের (টিটিপি) সঙ্গে পাক সেনার গুলির লড়াইয়ে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে মৃত্যু হল ১৭ জনের। মৃতরা সকলেই টিটিপি সদস্য বলে দাবি সেনার।
পাক সেনার তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পাখতুনখোয়ার বানু প্রদেশের শেরি খেল এবং পাক্কা পাহাড় খেল এলাকায় অভিযান চালায় সেনা। বিদ্রোহীদের ঘাঁটি ঘিরে ফেলে এলোপাথাড়ি গুলি চালানো শুরু করে আসিম মুনিরের বাহিনী। আচমকা আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে বিদ্রোহীরা। বেশ কিছুক্ষণ লড়াইয়ের পর অবশেষে মৃত্যু হয় ১৭ জন টিটিপি সদস্যের। অভিযানে এক বিদ্রোহীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর। একইসঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্রসস্ত্র এবং বিস্ফোরক।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের মাথাব্যাথার অন্যতম বড় কারণ এই আফগানিস্তানের মদতপুষ্ট টিটিপি। খাইবার পাখতুনখোয়া, বালুচিস্তান-সহ পাক-আফগান সীমান্ত এদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার দাবি এখানকার মানুষের দীর্ঘদিনের। যার জেরে এইসব অঞ্চল থেকে প্রায়শই পাক সেনাবাহিনীর উপর চলে মারণ হামলা। এদিকে, এই অঞ্চলগুলোর মধ্যে দিয়ে গিয়েছে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসি। দফায় দফায় এখানে সেনার বিরুদ্ধে অভিযান চালায় বিদ্রোহীরা।
গত জুন মাসে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের উত্তর ওয়াজিরিস্তান জেলায় একটি ফিঁদায়ে হামলা হয়। সেখানে মৃত্যু হয় ১৬ জন জওয়ানের। এমনকী এই অঞ্চলে বোমা ফেলে হত্যা করা হয় ৩০ জন সাধারণ নাগরিককে। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, পরিস্থিতি যে পথে এগোচ্ছে তাতে যে কোনওদিন ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে পাকিস্তানে।
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?