BREAKING NEWS

১২ কার্তিক  ১৪২৭  শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের স্বীকৃতি, পদার্থবিদ্যায় নোবেল জিতলেন তিন বিজ্ঞানী

Published by: Paramita Paul |    Posted: October 6, 2020 5:13 pm|    Updated: October 6, 2020 5:46 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বিষয় কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাকহোল। তার গঠন নিয়ে নয়া দিশা দেখিয়ে ২০২০ সালের পদার্থবিদ্যা বিভাগে নোবেল (Noble Prize in Physics, 2020) জিতে নিলেন ব্রিটেনের রজার পেনরোজ। তবে তাঁর সঙ্গে যৌথভাবে এই পুরস্কার জিতেছেন জার্মানির রেইনহার্ড গেঞ্জেল। ছায়াপথের ভরকেন্দ্রে থাকা ভারী এক কণার সন্ধান দিয়েছে তাঁর গবেষণা। একই বিষয়ে পদার্থবিদ্যায় মূল্যবান অবদানের জন্য চতুর্থ মহিলা বিজ্ঞানী হিসেবে এই পুরস্কার জিতলেন আমেরিকার আন্দ্রেয়া ঘেজ।

এই মুহূর্তে মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বিষয় হল ব্ল্যাকহোল। এর উৎপত্তি, গঠন, অতীত-ভবিষ্যৎ নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই। তা নিয়ে নিরন্তর গবেষণাও করে চলেছেন বিজ্ঞানীরাও। সেই কৃষ্ণগহ্বরের গঠন নিয়ে দিশা দেখালেন ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রজার পেনরোজ (Roger Penrose)। ৮৯ বছরের বিজ্ঞানী অঙ্ক ব্যবহার করে প্রমাণ করলেন, ব্ল্যাক হোল হল আপেক্ষিকতাবাদের সাধারণ তত্ত্বের প্রত্যক্ষ পরিণতি ।

[আরও পড়ুন ; হেপাটাইটিস সি-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পথ দেখিয়ে নোবেল জিতলেন তিন বিজ্ঞানী]

নোবেলের অপর বিজেতা হলেন জার্মানির রেইনহার্ড গেঞ্জেল (Reinhard Genzel)। তিনি ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর এক্সট্রাটেরেস্টিয়াল ফিজিক্সের অধিকর্তা। গেঞ্জেল, আন্দ্রেয়া ঘেজের (Andrea Ghez) সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণা করে একটি অদৃশ্য এবং অত্যন্ত ভারী বস্তুর সন্ধান পেয়েছেন। তাঁদের দাবি, ওই বস্তুটি ছায়াপথের কেন্দ্রে নক্ষত্রদের কক্ষপথকে নিয়ন্ত্রণ করে।

মহিলা বিজ্ঞানী আন্দ্রেয়া ঘেজ লস অ্যাঞ্জেলসে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনা করেন। চতুর্থ মহিলা হিসেবে তিনি পদার্থবিদ্যাল নোবেল জিতে নিলেন। এর আগে ১৯০৩ সালে মেরি কুরি, ১৯৬৩ সালে গোপার্ট মায়ের এবং ২০১৮ সালে ডোন্না স্ট্রিকল্যান্ড এই কৃতিত্বের অধিকারী ছিলেন।

মঙ্গলবার নোবেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, নোবেলের একটি অংশ পাচ্ছেন ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক রজার পেনরোজ। বাকি অর্ধেক পাবেন বাকি দুজন। এদিন নাম ঘোষণা হলেও আগামী ১০ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

[আরও পড়ুন : বিশ্বের ১০ শতাংশ মানুষই করোনা আক্রান্ত! ভয়াবহ আশঙ্কার কথা শোনাল WHO]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement