Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Iran

গোপনে অস্ত্র সরবরাহ! রহস্য বাড়িয়ে তেহরানে অবতরণ করল চিনের ৪ কার্গো বিমান

পরপর ৪টি বিমানের এভাবে ট্রান্সপন্ডার বন্ধ থাকার ঘটনা কোনওভাবেই যান্ত্রিক ত্রুটি হতে পারে না। পর্দার আড়ালে কিছু একটা ঘটছে বলে দাবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১৯:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১৯:০৮

options
link
গোপনে অস্ত্র সরবরাহ! রহস্য বাড়িয়ে তেহরানে অবতরণ করল চিনের ৪ কার্গো বিমান zoom
রহস্য বাড়িয়ে তেহরানে অবতরণ করল চিনের ৪ কার্গো বিমান।

ইরানকে গোপনে অস্ত্র পাঠাচ্ছে চিন! সম্প্রতি এমনই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছিল মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ। সেই জল্পনার মাঝেই এবার তেহরানে অবতরণ করল রহস্যময় ৪টি পণ্যবাহী বিমান। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলির পেটে ভরা রয়েছে অস্ত্র। শুধু তাই নয়, অবতরণের আগে বিমানের ট্রান্সপান্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে বিমানের গতিবিধি প্রকাশ্যে না আসে।

সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় তেহরানে চিনা বিমান অবতরণের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন ভাষ্যকার মারিও নাওফল। তিনি দাবি করেন, তেহরানে ৪টি চিনা বিমান অবতরণ করেছে প্রত্যেকটি পণ্যবাহী বিমান। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এগুলি অবতরণ করে। প্রতিটি বিমানই মাঝ আকাশে তাদের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখেছিল যাতে বিমান সংক্রান্ত কোনও তথ্য প্রকাশ্যে না আসে। দাবি করা হচ্ছে, পরপর ৪টি বিমানের এভাবে ট্রান্সপন্ডার বন্ধ থাকার ঘটনা কোনওভাবেই যান্ত্রিক ত্রুটি হতে পারে না। পর্দার আড়ালে কিছু একটা ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি।

Advertisement

প্রতিটি বিমানই মাঝ আকাশে তাদের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখেছিল যাতে বিমান সংক্রান্ত কোনও তথ্য প্রকাশ্যে না আসে। দাবি করা হচ্ছে, পরপর ৪টি বিমানের এভাবে ট্রান্সপন্ডার বন্ধ থাকার ঘটনা কোনওভাবেই যান্ত্রিক ত্রুটি হতে পারে না।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের তরফে দাবি করা হয়েছিল, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে বিমানভেদী মিসাইল সিস্টেম পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বেজিং। কাঁধে বহনযোগ্য ‘ম্যানপ্যাডস’ (MANPADS) নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র মধ্যপ্রাচ্যের কোনও একটি দেশের মাধ্যমে তেহরানে পাঠানোর পরিকল্পনা করতে বেজিং। অল্প উচ্চতা দিয়ে উড়ে চলা হেলিকপ্টার কিংবা যুদ্ধবিমানকে নিশানা করতে এই অস্ত্রের জুড়ি নেই। সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় যে কোনও জায়গায় একে নিয়ে যাওয়া যায়। কাঁধে ঝুলিয়েই দেগে দেওয়া যায় ক্ষেপণাস্ত্র।

তবে আমেরিকার তোলা এই অভিযোগ কারিজ করে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চিনা দূতাবাস। বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, তারা কেবল আত্মরক্ষার কৌশলের বিষয়ে কথা বলেছে ইরানের সঙ্গে। বেজিং এই যুদ্ধে কোনও পক্ষকেই কখনও অস্ত্র সরবরাহ করেনি। আমেরিকাকে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও উত্তেজনা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিল দূতাবাস। এইসবের মাঝেই তেহরানে চিনা পণ্যবাহী বিমানের অবতরণ স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তা বাড়াবে আমেরিকার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.