Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Iran

ইরানের ‘মশা মারতে কামান দেগে’ ফতুর! মধ্যপ্রাচ্যের মুশকিল আসান ৪ হাজার কিমি দূরের ‘বন্ধু’?

একমাস পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১৬:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১৬:২৮

options
link
ইরানের ‘মশা মারতে কামান দেগে’ ফতুর! মধ্যপ্রাচ্যের মুশকিল আসান ৪ হাজার কিমি দূরের ‘বন্ধু’? zoom
মধ্যপ্রাচ্যের 'বন্ধু' হয়ে উঠছে ইউক্রেন।

দেখতে দেখতে একমাস পেরিয়ে গিয়েছে যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য। ইরানের ছোড়া ড্রোন আছড়ে পড়ার ঘটনা এখন ‘নিউ নর্মাল’ হয়ে গিয়েছে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরবের মতো দেশে। ইরানের ছোড়া ‘সস্তা’ ড্রোনে একদিকে ক্ষতি যেমন হচ্ছে, তেমনই ড্রোন রুখতে ব্যবহৃত যুদ্ধ সরঞ্জামের খরচও বিপুল! আর এহেন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের ‘বন্ধু’ হয়ে উঠছে ইউক্রেন।

যুদ্ধের শুরুতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও যে দেশের সাহায্য তিনি কখনও নেবেন না, সেই দেশ ইউক্রেন। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি হাজার চারেক কিমি দূরের সেই দেশের উপরে ভরসা করছে এখন। গত সপ্তাহেই জেলেনস্কি কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। আর তিন দেশের সঙ্গেই করেছেন চুক্তি স্বাক্ষর। তিনি কথা দিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের ‘বন্ধু’দের সস্তা স্টিং ইন্টারসেপ্টর ও বুলেট ইন্টারসেপ্টর দেবেন। পাশাপাশি চার বছরের অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত যুদ্ধকৌশলের শিক্ষাও দেবেন। বিনিময়ে মধ্যপ্রাচ্য শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র উপহার দেবে ইউক্রেনকে। যার সাহায্যে তারা রাশিয়ার মোকাবিলা করবে। ইতিমধ্যেই দুশো অ্যান্টি-ড্রোন বিশেষজ্ঞ জর্ডন ও কুয়েতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে পৌঁছেও গিয়েছেন।

Advertisement

আর এখানেই প্রশ্ন, এত দেশ থাকতে ইউক্রেন হঠাৎ করে উপসাগরীয় দেশগুলির এত প্রিয়পাত্র হয়ে উঠল কেন? এর মূলে রয়েছে অর্থনীতি। উল্লেখ্য, ইরানের মুকুটের মণি হিসেবে বিবেচিত ‘শাহেদ ১৩৬’ ড্রোন তৈরি করতে খরচ পড়ে ১৮ লক্ষ থেকে ২৮ লক্ষ টাকার মধ্যেই। এক মাসের মধ্যেই এ ধরনের হাজার হাজার ড্রোন উৎপাদন করা সম্ভব। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সাশ্রয়ী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলিই আমেরিকার ১৩টি সামরিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। যুদ্ধের প্রথম তিন সপ্তাহেই এর ফলে সৃষ্ট ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২.৯ বিলিয়ন ডলার (২.৪১ লক্ষ কোটি টাকা)। আর এই ড্রোনগুলির মোকাবিলায় যে মিসাইল ব্যবহার করা হচ্ছে তার দাম ৩.৩ কোটি টাকা! পাশাপাশি মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৬-এর ক্ষেত্রে বিমান পিছু খরচ পড়বে ঘণ্টায় ২৫ হাজার ডলার। ফলে খরচের ক্ষেত্রে ফারাকটা চোখে পড়ার মতোই।

এই পরিস্থিতিটা অনেকটাই ইউক্রেনের মতো। চার বছর আগে একই সমস্যায় পড়েছিল তারা। পাশাপাশি পশ্চিমের থেকে কোনও শক্তিশালী অস্ত্রও তারা পায়নি। আর এক্ষেত্রে তাদের ‘আশার আলো’ হয়ে ওঠে স্টিং ও বুলেট ইন্টারসেপ্টর। যাদের সাফল্যের হার ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ। এবার সেই অস্ত্রই তারা তুলে দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির হাতে, ইরানকে রুখতে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.