Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬

আইএস-এর হিট লিস্টে উঠল ৬ বছরের শিশুর নাম

শিশুটিকে মেরে ফেলার জন্য কেন চলছে দুনিয়া জুড়ে তল্লাশি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০১৬, ১৬:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০১৬, ১৬:১৮

options
link
আইএস-এর হিট লিস্টে উঠল ৬ বছরের শিশুর নাম zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপরাধ তার কেবল একটাই- সে বিকলাঙ্গ! শুধুমাত্র সেই জন্যই ৬ বছরের এক শিশুর নাম উঠল আইএসআইএস-এর হিট লিস্টে?
খবরটা জেনে অবাক লাগারই কথা! ৬ বছরের এক শিশু, যে কি না আবার বিকলাঙ্গও, তাকে নিয়ে আইএসআইএস-এর মতো এক কুখ্যাত জঙ্গি দলের এত মাথাব্যথা কেন? তাকে হত্যা করতে না পারলে কি দলের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়বে?
ঠিক তা নয়! শিশুটি আসলে ঘা দিয়েছে আইএসআইএস-এর অহঙ্কারে। এক সময় ঘোষণা করেছিল এই জঙ্গি দল- ইরাকের সব বিকলাঙ্গ শিশুকে তারা এক মারণ ইঞ্জেকশন দিয়ে পাঠিয়ে দেবে মৃত্যুপুরীতে। যেহেতু তারা বিকলাঙ্গ, সেই জন্য তারা কোনও কাজে আসবে না! অতএব তাদের বেঁচে থাকারও অধিকার নেই- এমনটাই বক্তব্য ছিল দলের!
খবরটা শোনার পরেই বাবা, মা আর এক ভাইয়ের সঙ্গে ইরাক ছাড়ে ৬ বছরের লওয়ান্দ হামাদামিন। ইরাক থেকে পালিয়ে এসে প্রথমে তারা আশ্রয় নেয় ডানকার্কের উদ্বাস্তু শিবিরে। ফ্রান্সে এভাবে কিছু দিন কাটিয়ে অবশেষে তারা এসে পৌঁছয় ব্রিটেনে। সেখানেই আপাতত পরিবারের সঙ্গে রয়েছে হামাদামিন।
কিন্তু, মৃত্যুভয় তার পিছু ছাড়ছে না। পালিয়ে গিয়েছে বলেই তার উপরে বিশেষ নজর পড়েছে আইএসআইএস-এর। তাই বদ্ধপরিকর হয়েছে তারা- শিশুটিকে যে কোনও ভাবেই হোক, হত্যা করতেই হবে! সেই মর্মে বিবৃতিও দিয়েছে তারা। জানিয়েছে, শিশুটিকে তো তার পরিবার সমেত হত্যা করা হবেই! একই সঙ্গে যে দেশ তাদের আশ্রয় দিয়েছে, দুর্ভাগ্য নেমে আসবে সেখানেও।
ব্যাপারটা জানাজানি হওয়ার পরে এবার নড়েচড়ে বসেছে ব্রিটেন প্রশাসন। দুর্ভাগ্যবশত, তারা হামাদামিন পরিবারকে সুরক্ষার আশ্বাস দিচ্ছে না। বরং সাফ জানিয়ে দিয়েছে- ২০১৭ সালের ৯ জানুয়ারির মধ্যে তারা যেন জার্মানিতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। স্বাভাবিক ভাবেই এই কথা শোনার পরে ভেঙে পড়েছে হামাদামিন পরিবার। খোদ লওয়ান্দ আবেদনও জানিয়েছে ব্রিটেন প্রশাসনের কাছে- তাকে যেন দয়া করে এদেশে থাকতে দেওয়া হয়!
কিন্তু এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি ব্রিটেন বলেই জানা গিয়েছে!

Advertisement
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.