সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জেহাদের নামে মুসলমানদেরই হত্যা করছে জঙ্গিরা। এবার কাবুলের একটি বাসে ঘটা ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন শিয়া সম্প্রদায়ের ৭ জন। এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে কাবুলের (Kabul) দাস্ত-ই-বারছি এলাকায়। সেখানেই একটি বাসে বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনার বিষয়ে কাবুল পুলিশের মুখোপাত্র খালিদ জাদরান জানিয়েছেন, “কাবুলের দাস্ত-ই-বারছি অঞ্চলের একটি যাত্রীবাহী বাসে বিস্ফোরণ ঘটেছে। ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭জন । আহত হয়েছেন ২০ জন।” জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পরই নিরাপত্তা কর্মীরা ওই এলাকায় পৌঁছন। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। নিহতরা সকলেই সংখ্যালঘু শিয়া সম্প্রদায়ের। আফগানিস্তানে বরাবরই শিয়া-হাজারা মুসলিমদের নিশানা করে এসেছে তালিবান, আল কায়দা ও ইসলামিক স্টেটের মতো সুন্নি জঙ্গি সংগঠনগুলো।
[আরও পড়ুন: গাজা শহরের কেন্দ্রস্থল ইজরায়েলি সেনার দখলে! হিজবুল্লাকেও হুঁশিয়ারি নেতনিয়াহুর]
উল্লেখ্য, গত মাসেই জুম্মার নমাজ চলাকালীন ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে আফগানিস্তানের একটি মসজিদ। ঘটনার সময় সেখানে প্রচুর মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। এর আগেও গত বছর কাবুলের একটি মসজিদের পাশাপাশি মাজার-ই-শরিফের তিনটি বাসে বিস্ফোরণ ঘটায় সন্ত্রাসবাদীরা। সবমিলিয়ে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। আহত হয়েছিলেন বহু মানুষ। মৃত ও আহতরা প্রায় সকলেই আফগানিস্তানে সংখ্যালঘু মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। এবং শিয়াদেরই নিশানা করেছিল জঙ্গিরা। এবার মঙ্গলবারের ঘটনাতেও জেহাহিদের নিশানায় শিয়ারাই।
[আরও পড়ুন: গাজায় কি যুদ্ধ থামাতে চলেছে ইজরায়েল? নেতানিয়াহুর মন্তব্যে জোর জল্পনা]
সর্বশেষ খবর
-
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিস দমকলের, আদালতের স্থগিতাদেশেও কাটছে না জট
-
নাচে-গানে হুল্লোড়! হাতি তাড়াতে মধ্যরাতে বসছে আসর, এক অন্য ছবি লালগড়ে
-
অত্যাধুনিক একে-২০৩ রাইফেলের গুলি সরবরাহ করবে আদানির সংস্থা, বিরাট চুক্তি সম্পন্ন
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির