Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
৯/১১ হামলা

৯/১১ হামলার রহস্য ফাঁস করতে চলেছে গুয়ান্তানামোয় বন্দি আল কায়দা নেতা  

রাওয়ালপিণ্ডি থেকে খালিদকে পাকড়াও করে পাক ও মার্কিন গোয়েন্দা বাহিনী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩, ১৯:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩, ১৯:০৩

options
link
৯/১১ হামলার রহস্য ফাঁস করতে চলেছে গুয়ান্তানামোয় বন্দি আল কায়দা নেতা   zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৯ সেপ্টেম্বর ২০০১। শুধু আমেরিকা নয়, রহস্যে মোড়া রক্তাক্ত দিনটি পালটে দিয়েছিল গোটা বিশ্বের গতিপথ। বলা যায়, ওই দিন থেকেই শুরু হয়েছিল ‘গ্লোবাল জেহাদ’। বাকিটা ইতিহাস। আজও ৯/১১ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ, তদন্ত। তবুও অধরাই থেকে গিয়েছে একাধিক প্রশ্নের উত্তর। তবে এবার হয়তো নজরে আসতে চলেছে পর্দার আড়ালে থাকা দিকগুলি। মুখ খুলতে রাজি হয়েছে ওই হামলার মূলচক্রী খালিদ শেখ মহম্মদ।

[আরও পড়ুন: লস্কর-আল কায়দার আঁতাঁত মজবুত, রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে সিঁদুরে মেঘ দেখছে ভারত]

Advertisement

২০০১ সালে নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান নিয়ে আত্মঘাতী চালায় আল কায়দা জঙ্গিরা। মৃত্যু হয় অন্তত ৩ হাজার নিরীহ মানুষের। শত হন আরও অনেকেই। আজপ সেই হামলার ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ। ওই হামলার চক্রীদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ৫৩ বছরের খালিদ শেখ মহম্মদ। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ওই জঙ্গিনেতা বর্তমানে কুখ্যাত গুয়ান্তানামো বে-র জেলে বন্দি। আল কায়দার সদস্য খালিদ হামলার বিষয়ে একাধিক তথ্য দিতে পারে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী। তবে শর্ত একটাই, খালিদের মৃত্যুদণ্ড মুকুব করতে হবে। উল্লেখ্য, ওই হামলার নেপথ্যে সৌদি আরবের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ। সৌদিকে দায়ী করে বিরাট অঙ্কের ক্ষতিপূরণ চেয়ে ম্যানহাটনের এক আদালতে মামলাও করেছিলেন ক্ষতিগ্রস্তেরা। যদিও সৌদি প্রশাসন সেই অভিযোগ মানেনি। আইনজীবীরা অবশ্য হাল ছাড়েননি। প্রমাণ জোগাড় করতে তাঁরা খালিদ-সহ আমেরিকায় বন্দি পাঁচ চক্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বেশ কয়েকবার কথা চালানোর পরে নিজের আইনজীবীর মারফত এই প্রস্তাব দিয়েছে খালিদ। শুক্রবার ম্যানহাটনের আদালতে ক্ষতিগ্রস্তদের আইনজীবীরা একটি চিঠি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে কোনও জবানবন্দি দেবে না খালিদ। তবে মৃত্যুদণ্ড রদ করা হলে সে তার সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে।      

গোপন রিপোর্টের ভিত্তিতে ২০০৩ সালে পাকিস্তানের রাওয়ালপিণ্ডি থেকে খালিদকে পাকড়াও করে পাক ও মার্কিন গোয়েন্দা বাহিনী। আফগানিস্তান ও পোল্যান্ডের বিভিন্ন জেলে তাকে আটকে রেখে দীর্ঘদিন জেরা করা হয়। ২০০৬-এর ডিসেম্বরে খালিদকে কিউবা উপকূলের গুয়ান্তানামো বে-র বন্দিশালায় নিয়ে আসা হয়। আপাতত সেখানেই রয়েছে কুখ্যাত ওই আল কায়দা জঙ্গি। যদিও ৯/১১ হামলা নিয়ে বরাবরই মুখে কুলুপ এঁটেছে। এবার মৃত্যুদণ্ড মকুবের শর্তে ওই রহস্য থেকে পর্দা তুলতে রাজি হয়েছে সে। 

[আরও পড়ুন: ব্রাজিলের জেলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মৃত ৫৭, বন্দিদের মুন্ডু নিয়ে চলল ফুটবল খেলা!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.