সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘুমের মধ্যে এক পরিবারের সদস্যকে গুলি করে খুন করল আত্মীয়রা। জানা গিয়েছে, বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে ওই পরিবারের সঙ্গে আত্মীয়দের মতবিরোধ হয়েছিল। তার জেরেই পরিবারকে নিকেশ করে দেওয়া হয়েছে। ভয়াবহ এই ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানে (Pakistan)। খুনিদের ধরতে জেলার সর্বত্র তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, খুনিদের ধরতে আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে পুলিশকে।
ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, একটি বিয়ে নিয়ে আত্মীয়দের সঙ্গে মতবিরোধ হয়েছিল ওই পরিবারের সদস্যদের। সেই নিয়ে তুমুল অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। পাকিস্তানের স্থানীয় সময় বুধবার ভোররাতে ওই পরিবারের বাড়িতে চড়াও হয় আত্মীয়রা। পরিবারের সকলেই তখন ঘুমাচ্ছিলেন। খুন করেই পালিয়ে যায় আত্মীয়রা।
[আরও পড়ুন: বৃষ্টি নামতেই সবজির বাজার হঠাৎ আগুন, পকেটে ছ্যাঁকা মধ্যবিত্তের]
পুলিশের অনুমান, আত্মীয়দের উপস্থিতি টের পাননি পরিবারের সদস্যরা। বাড়িতে ঢুকেই নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে আত্মীয়রা। বাড়ির মধ্যেই মৃত্যু হয় পরিবারের সকলের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে রয়েছেন তিন মহিলা ও ছয় পুরুষ। মর্মান্তিক ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় আধাসেনা। তারাই মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
ইতিমধ্যেই নৃশংস খুনের তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। বিয়ে নিয়ে মতবিরোধের তত্ত্ব প্রকাশ্যে আসতেই পলাতক অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলায় প্রবেশ ও বেরনোর সমস্ত পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যেন খুনিরা জেলা ছেড়ে পালাতে না পারে। মালাকান্দ জেলার মুখ্যমন্ত্রী মহম্মদ আজম খান জানিয়েছেন, মৃতদের পরিবারকে ন্যায়বিচার দেওয়া হবে। খুনিদের ধরতে আরও তৎপর হতে হবে পুলিশকে।
[আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোটে বাকি বাহিনী কি পাঠাবে কেন্দ্র? মুখ খুললেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার]
সর্বশেষ খবর
-
টিকিটাকায় ধরাশায়ী অস্ট্রিয়া, দুর্বার গতিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় স্পেন
-
মিড ডে মিলের মাংস দিয়ে স্যারের বিবাহ বার্ষিকীর ভোজ! শান্তিপুরের স্কুলে তুমুল শোরগোল
-
অফিসের ২৫ জনকে পুলিশি হেনস্তা! ভয় দেখিয়ে মিথ্যা বয়ান রেকর্ড, দাবি অভিষেকের
-
হোয়াটসঅ্যাপের পরে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল! ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে নোটিস কেন্দ্রের
-
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতান্তর! বৈঠকে প্রশ্ন একাধিক সাংসদের