Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

ধেয়ে আসছে দৈত্যাকৃতির গ্রহাণু, ১ সেপ্টেম্বরই কি পৃথিবীর শেষ দিন?

আশঙ্কার প্রহর গুনছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৭, ০৮:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৭, ০৮:২৪

options
link
ধেয়ে আসছে দৈত্যাকৃতির গ্রহাণু, ১ সেপ্টেম্বরই কি পৃথিবীর শেষ দিন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১ সেপ্টেম্বরই কি পৃথিবীর শেষ দিন? নাসার গবেষকদের নয়া একটি তত্ত্বকে ঘিরে শোরগোল গোটা দুনিয়ায়। কেন পয়লা সেপ্টেম্বরই? নাসার গবেষকরা বলছেন, আগামী পয়লা সেপ্টেম্বর খুব বড় একটি গ্রহাণু পৃথিবীর কান ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে। শেষ মুহূর্তে গ্রহাণুটির গতিপথে সামান্য কোনও পরিবর্তন হলে পৃথিবীর যে কী দশা হবে, ভেবেই শিউরে উঠছেন নাসার গবেষকরা।

প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার দীর্ঘ এই গ্রহাণুটির নাম ‘ফ্লোরেন্স’। নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর কাছাকাছি আসছে এমন কোনও মহাজাগতিক বস্তুর উপর নজর রাখার কাজ যেদিন থেকে শুরু হয়েছে, সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত এত বড় কোনও গ্রহাণু পৃথিবীর এত কাছে আসেনি। পয়লা সেপ্টেম্বর ‘ফ্লোরেন্স’ পৃথিবীর ৪.৪ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে চলে আসবে। দূরত্বটা ঠিক কত? সহজ করে বললে, পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বের প্রায় ১৮ গুন। ভাবছেন, তাহলে আর চিন্তার কী আছে? চিন্তার বিষয় হচ্ছে এই গ্রহাণুর আকৃতি। বিজ্ঞানীরা ভাবছেন, এই বিশাল আকারের গ্রহাণুর কোনও অংশ যদি কোনওক্রমে ছিটকে একবার পৃথিবীর সঙ্গে ধাক্কা খায়, তাহলে কী হবে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[শূকরের রক্তে ভেজা গুলিতে জঙ্গি নিকেশের দাওয়াই ট্রাম্পের, শুরু বিতর্ক]

অবশ্য এরকম কোনও সম্ভাবনা এখনও খাতায়-কলমে নেই। নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন নয় যে এর চেয়ে বেশি কাছাকাছি আর কোনও গ্রহাণু আসেনি। এসেছে। কিন্তু এত বড় আসেনি। ১৮৯০ থেকে আজ পর্যন্ত অন্তত আসেনি, ২৫০০ পর্যন্ত আসবেও না। নাসা যদিও কোনও সতর্কতা এখনও জারি করেনি। কারণ, তাঁদের রেডারের হিসাব বলছে, পৃথিবী থেকে প্রায় ৭০ লক্ষ কিলোমিটার দূরত্ব বজায় রেখে ‘ফ্লোরেন্স’ বেরিয়ে যাবে। নাসার ‘সেন্টার ফর নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট’-এর ম্যানেজার পল বলছেন, ‘ফ্লোরেন্সের আগেও বেশ কিছু পরিচিত গ্রহাণু পৃথিবীর গা ঘেঁষে বেরিয়েছে, কিন্তু সেগুলি ছোট।’

নাসা বলছে, সাধারণ টেলিস্কোপের সাহায্যে বিশ্ববাসী এই গ্রহাণু দেখতে পাবেন। আগস্টের শেষ ও সেপ্টেম্বরের শুরুতে আকাশের দিকে তাক করে দূরবীনে চোখ রাখলেই দেখতে পাবেন ‘ফ্লোরেন্স’। তবে আজ না হোক কাল, এরকম কোনও গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষ হবেই। বলছেন আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবসে ইউরোপীয় স্পেস অপারেশন সেন্টারের প্রধান রল্ফ ডেনজিং। খুব বড় নয়, মাত্র ১৪০ মিটারের কোনও গ্রহাণুই পৃথিবীর ব্যাপক ক্ষতি করতে যথেষ্ট বলে জানান তিনি। তবে আগামী ১০০ বছরে এমনটা হওয়ার কোনও ইঙ্গিত মেলেনি বিজ্ঞানীদের তরফে।

[ভারতের চেয়ে ঢের দুর্বল চিনা সেনা, জানেন এর পাঁচটি কারণ?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.