BREAKING NEWS

২৯ শ্রাবণ  ১৪২৭  শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

আগ্রাসনের পালটা কূটনীতি! চিনকে চাপে ফেলে হংকং ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে ‘নালিশ’ ভারতের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 2, 2020 12:00 pm|    Updated: July 2, 2020 3:57 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখে চিনা আগ্রাসনের পালটা এবার চিনের উপর কুটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা শুরু করল ভারত। হংকং (Hong Kong) সম্পর্কিত বিতর্কিত বিল পাশ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের (UN Human Rights Council) মানবাধিকার কমিশনে চিনের বিরুদ্ধে ‘নালিশ’ করল নয়াদিল্লি। হংকংয়ে চিন সরকারের ‘দাদাগিরি’ নিয়ে এই প্রথম মুখ খুলল ভারত। যা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ৫৯টি চিনা অ্যাপ বন্ধের পর চিনের বিরুদ্ধে এটিই দ্বিতীয় বড় পদক্ষেপ ভারতের, বলছে কূটনৈতিক মহল।

hong-kong

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মঞ্চের প্রতিবাদ হেলায় উড়িয়ে সদ্যই হংকং নিয়ে বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা বিল পাশ করিয়েছে চিন। মঙ্গলবার ‘National security legislation for Hong Kong’ শীর্ষক বিলটিতে সই করেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এর ফলে স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশটির উপর বেজিংয়ের রাশ আরও মজবুত হয়েছে। আগে নিয়ম ছিল হংকংয়ে কেউ কোনও অপরাধ করলে তার বিচার হংকংয়ের (Hong Kong) আইন মোতাবেক সেখানেই হত। সূত্রের খবর, নয়া আইন অনুযায়ী জাতীয় নিরাপত্তার অভিযোগে কোনও ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে তাঁকে মূল চিনা ভূখণ্ডে নিয়ে গিয়ে শাস্তি দেওয়া হবে। বিশ্লেষকদের মতে, নয়া আইন লাগু করে হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের বাগে আনতে চাইছে বেজিং। এবার বেছে বেছে বিক্ষোভকারীদের নিশানা করবে শি জিনপিং সরকার।

[আরও পড়ুন: ‘এটাই কমিউনিস্ট পার্টির আসল রূপ’, লাদাখে অশান্তি নিয়ে চিনকে বিঁধলেন ট্রাম্প!]

নতুন এই আইন পাশ হওয়ার পর হংকং জুড়েই শোনা যাচ্ছে বিরোধিতার সুর। আমেরিকা এবং ব্রিটেন ইতিমধ্যেই চিনের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে। এবার ভারতও বেজিংয়েই এই স্বৈরাচারের বিরোধিতায় সরব হল। রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনে ভারতের স্থায়ী দূত রাজীব চান্দের এই বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন,”হংকংয়ে বহু ভারতীয় বংশোদ্ভূত বসবাস করেন। তাই ভারত হংকংয়ের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে। সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সেখানে বিরোধিতার সুর শোনা গিয়েছে। আমরা আশা করব, এই বিষয়গুলি আরও গুরুত্ব দিয়ে, এবং উপযুক্ত যত্ন সহকারে শোনা হবে।” নিজের বক্তৃতায় চিনের নাম না করলেও, ভারতীয় প্রতিনিধির এই হংকং নিয়ে ‘উদ্বেগ’ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement