১ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিখ্যাত হেগিয়া সোফিয়ার পর ফের অতীতের এক গির্জাকে মসজিদে বদলে দিল তুরস্ক সরকার

Published by: Sulaya Singha |    Posted: August 22, 2020 12:05 pm|    Updated: August 22, 2020 12:10 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইস্তানবুলের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হেগিয়া সোফিয়াকে (Hagia Sophia) মসজিদে পরিণত করা হয়েছিল মাস খানেক আগেই। তুরস্ক সরকারের সিদ্ধান্তে মিলেছিল মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কিন্তু এখানেই থেমে থাকল না তারা। এবার আরও একটি অতিপরিচিত জাদুঘরকে বদলে দেওয়া হল মসজিদে।

বহু বছর আগে বাইজানটাইন গির্জা হিসেবেই পরিচিত ছিল এই সৌধ। পরে যা জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়। এবার তার ভোল বদলে দেওয়া হল। শুক্রবারই আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, এখন থেকে মুসলিম ধর্মস্থান হিসেবেই স্বীকৃতি পাবে স্থাপত্যটি। চোরা জাদুঘর (Chora Museum) তথা অতীতের সেন্ট সেভিয়র গির্জা বর্তমানে হয়ে উঠল মসজিদ। প্রেসিডেন্ট রেসেপ তায়েপ এরদোগান নিজে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। বাইজানটাইন গীর্জা তথা জাদুঘরটি মসজিদে পরিণত হওয়ার কথা ঘোষণা হওয়ামাত্রই শুক্রবার স্থানীয় মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা সেখানে হাজির হন প্রার্থনার জন্য। নিঃসন্দেহে তাঁদের জন্য এটা দারুণ আনন্দের খবর। যদিও কর্তৃপক্ষ জানায়, এখনও পর্যন্ত সাধারণের নমাজের জন্য মসজিদ খোলা হয়নি।

[আরও পড়ুন: অক্টোবরের মধ্যেই বাজারে আসবে করোনার ভ্যাকসিন, এবার দাবি মার্কিন সংস্থার]

উল্লেখ্য, মাস খানেক আগেই ঐতিহ্যবাহী হেগিয়া সোফিয়া পরিণত হয় মসজিদে। এই স্থাপত্যকে মসজিদ করার প্রস্তাব নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। আদালত তাতে সায় দেয়। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়ে তুরস্ক। দেশের আর্থিক সংকটের পরিস্থিতিতে মুসলিমদের সমর্থন পেতে তুর্কির প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করে গ্রীস। ভ্যাটিকানের পোপ ফ্রান্সিসও এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় দুঃখপ্রকাশ করেন। সেসব উপেক্ষা করেই পুরোদমে মসজিদের পরিচয়ে ফেরে হেগিয়া সোফিয়া। ৮৬ বছরে প্রথমবার নমাজের ধ্বনি শোনা যায় সেই চত্বর। ইসলাম সম্প্রদায়ের শ’খানেক প্রার্থনাকারীর সঙ্গে প্রথমবার এমন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে নমাজে যোগ দিয়েছিলেন দেশের প্রেসিডেন্ট এরদোগানও। সঙ্গে ছিলেন অন্যান্য মন্ত্রীরা। এবার সেই দৃশ্য বাস্তবায়িত হতে চলেছে।

[আরও পড়ুন: করোনার প্রকোপ কমতে অন্তত দু’‌বছর সময় লাগবে, উদ্বেগ বাড়ালেন WHO প্রধান]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement