Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
হেগিয়া সোফিয়ায় নমাজপাঠ

ঐতিহাসিক হেগিয়া সোফিয়া এখন মসজিদ, ৮৬ বছর পর ফের শোনা গেল নমাজের সুর

সাধারণের সঙ্গে আজ নমাজপাঠ করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এবং মন্ত্রীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২০, ১৮:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২০, ১৮:৩০

options
link
ঐতিহাসিক হেগিয়া সোফিয়া এখন মসজিদ, ৮৬ বছর পর ফের শোনা গেল নমাজের সুর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৮৬ বছরে এই প্রথম। তুরস্কের ঐতিহাসিক সৌধ হেগিয়া সোফিয়া (Hagia Sophia) মসজিদে পরিণত হওয়ার পর আজ, শুক্রবার প্রথম নমাজের ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠল এই চত্বর। ইসলাম সম্প্রদায়ের শ’ খানেক প্রার্থনাকারীর সঙ্গে প্রথমবার এমন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে নমাজে যোগ দিলেন দেশের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তায়েপ এরদোগান। সঙ্গে ছিলেন অন্যান্য মন্ত্রীরাও। সামাজিক দূরত্ববিধি মেনেই সকলে নমাজপাঠ করলেন।

সপ্তাহ দুই আগে তুরস্ক প্রশাসনের আবেদন মেনে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ দেয়, ১৫০০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক স্থাপত্য হেগিয়া সোফিয়াকে মসজিদে বদল করা হোক। তারপরই বদলে যায় হেগিয়া সোফিয়ার চেহারা। আজ শুধু তা ইউনেস্কোর (UNESCO) ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটই নয়, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনাস্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই ঐতিহাসিক স্থানেই শুক্রবারের পবিত্র দিনে প্রথমবার নমাজ পাঠ হয়ে গেল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতি সামলে নেবে ভারত, উদ্বেগের মধ্যেও সাহস জোগাচ্ছে WHO’র মন্তব্য]

আসলে হেগিয়া সোফিয়ার ঐতিহ্য বহু প্রাচীন। এর সঙ্গে জড়িয়ে বহু ইতিহাস। বাইজানটাইন সাম্রাজ্যে এটি ছিল একটি সুদৃশ্য ক্যাথিড্রাল, খ্রিস্টানদের উপাসনালয়। পরবর্তী সময়ে অটোমান সাম্রাজ্যে তাকে মসজিদে পরিবর্তন করা হয়। এরপর অটোমানদের হাত থেকে তুরস্কের অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে শাসকের গদিতে বসেন মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক। তিনি হেগিয়া সোফিয়াকে ঐতিহাসিক সৌধ হিসেবেই রেখে দেন। তার মধ্যে তৈরি করা হয় একটি মিউজিয়াম। দীর্ঘ ইতিহাসের দলিল এই স্থাপত্য।

[আরও পড়ুন: ‘ড্রাগন দমনে ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে জোট করুক আমেরিকা’, দাবি মার্কিন সেনেটরের]

সম্প্রতি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ফের এই স্থাপত্যকে মসজিদ করার প্রস্তাব নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত তাতে সায় দেয়। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়ে তুরস্ক। ভ্যাটিকানের পোপ ফ্রান্সিসও এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় দুঃখপ্রকাশ করেন। সেসব উপেক্ষা করেই পুরোদমে মসজিদের পরিচয়ে ফিরল হেগিয়া সোফিয়া। এদিন মসজিদের বাইরেও ভিড় জমিয়েছিলেন বহু সাধারণ মানুষ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.