২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

PPE খুলতেই নার্সের শরীর থেকে ঝরল এক বালতিরও বেশি ঘাম! করোনা যোদ্ধাকে কুর্নিশ নেটিজেনদের

Published by: Sayani Sen |    Posted: August 13, 2020 6:42 pm|    Updated: August 15, 2020 4:57 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) আবহে সকলে যখন ঘর বন্ধ করে বসেছিলেন, তখন প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করে গিয়েছেন চিকিৎসক এবং নার্সরা। অদৃশ্য ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে তাঁদের ঢাল শুধুমাত্র পিপিই কিট। সেই পোশাক পরেই লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন তাঁরা। শুধুমাত্র পোশাক পরেই গরমে ঘেমেনেয়ে যাচ্ছি। কিন্তু ভেবে দেখেছেন কখনও যাঁরা পিপিই কিট পরে সারাদিন কাজ করছেন তাঁদের অবস্থা কেমন। চিকিৎসক, নার্স ছাড়া বোধহয় কেউই সেই কষ্ট টের পাবেন না। তেমনই এক করোনা যোদ্ধার কষ্টই এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। ওই ভিডিও দেখে অবাক হয়ে যাচ্ছেন সকলেই।

ভাইরাল ভিডিওতে চিনের এক নার্সকে (Nurse) দেখা গিয়েছে। তিনি একটি চেয়ারে বসে রয়েছেন। ধীরে ধীরে পায়ের দিকের পিপিই স্যুট খুলছেন। আর সেই সময় তাঁকে দেখলে মনে হচ্ছে যেন কেউ বালতি করে তার পায়ের দিকে জল ঢেলে দিয়েছে। কিন্তু নাহ তেমন কিছুই ঘটেনি। ওই জল আসলে তাঁর শরীরের ঘাম। আসলে পিপিই পরে থাকাকালীন শরীরে প্রচণ্ড ঘাম হয়। শরীর থেকে বেরনো ঘাম জমা হয় পোশাকের ভিতরেই। তাই পিপিই’র নিচের অংশ খোলার পর তা নিচ দিয়ে বাইরে বেরিয়ে যায়। তার ফলেই ভিজে যায় মাটি। পিপলস ডেইল নামে একটি নিউজ পোর্টালের তথ্যানুযায়ী ওই ভিডিও ৮ আগস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। উত্তর পশ্চিম চিনের জিংজিয়াং শহরের রাজধানীতে উরমকির ওই ভিডিওটি নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়। ওই নার্সকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

[আরও পড়ুন: বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে চিন! বিশ্বজুড়ে মার খাচ্ছে বেজিংয়ে তৈরি স্মার্টফোনের বিক্রি]

এর আগেও ঠিক একই ভাবে এক নার্সকে পিপিই (PPE kit) পরে গরমে ক্লান্ত অবস্থায় মাটিতেই বসে পরতে দেখা গিয়েছিল। করোনা পরিস্থিতিতে নিজের জীবন বাজি রেখে অপরের সেবা করে চলেছেন চিকিৎসক এবং নার্সরা। প্রতিদিন ১০-১২ ঘণ্টা করে তাঁদের পরতে হচ্ছে পিপিই কিট। সঙ্গে মাস্ক, ফেস শিল্ড, গ্লাভস। সব মিলিয়ে ত্রাহি ত্রাহি রব। তা সত্ত্বেও যেন কোনও ক্লান্তি নেই তাঁদের।

[আরও পড়ুন: প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে মোটা অঙ্কের চুক্তি, দ্রুত ভ্যাকসিন তৈরিতে তৎপর আমেরিকাও]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement