৩ কার্তিক  ১৪২৬  সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফের বড়সড় সাফল্য পেল ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। আমেরিকা ও আফগানিস্তানের যৌথ বাহিনীর অভিযানে খতম হল ভারতীয় উপমহাদেশের আল কায়দা প্রধান আসিম উমর। মঙ্গলবার এই কথা জানানো হয়েছে আফগানিস্তানের প্রশাসনের তরফে। দক্ষিণ এশিয়ায় আল কায়দার সবচেয়ে ক্ষমতাশালী নেতা ছিল উমর।

[আরও পড়ুন: চিনে উইঘুর মুসলিমদের উপর অকথ্য অত্যাচার, কড়া পদক্ষেপ আমেরিকার]

আফগান প্রশাসনের তরফে টুইট করা হয়, ২০১৪ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে আল কায়দার প্রধান হয় আসিম উমর। তারপর থেকে তার সন্ধানে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছিল মার্কিন ও আফগানিস্তানের যৌথ বাহিনী। গত সেপ্টেম্বর মাসের ২২ ও ২৩ তারিখ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হেলমান্দ প্রদেশের মুসা কোলা জেলার একটি তালিবান ঘাঁটিতে হামলা চালায় তারা। বিমান হামলাও করে। এর আসিম উমর-সহ আল কায়দার সাত জঙ্গি খতম হয়। মৃতদের বেশিরভাগ পাকিস্তানের নাগরিক ছিল। তবে বিমান হামলার ফলে তালিবানদের ঘাঁটি সংলগ্ন এলাকায় থাকা ৪০ জন সাধারণ মানুষেরও মৃত্যু হয়েছে।

যদিও এই কথা সম্পূর্ণ মিথ্যে বলে দাবি করেছে আফগানিস্তানের তালিবান জঙ্গিরা। তাদের কথায়, আসিম উমরের মৃত্যুর কথা সম্পূর্ণ অপপ্রচার। জেহাদিদের মনোবল ভাঙার জন্য শত্রুদের একটা চাল। মার্কিন ও আফগানিস্তানের তরফে একটি বিয়েবাড়িতে হামলা চালানো হয়েছিল। এর ফলে শুধুমাত্র প্রচুর নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যদিও আফগান প্রশাসনের তরফে যে টুইট করা হয়েছে তাতে আসিম উমরের জীবিত ও মৃত দুই অবস্থারই ছবি রয়েছে।

[আরও পড়ুন:প্রথম রাফালে যুদ্ধবিমান হাতে পেলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, ফ্রান্সেই হল ‘শস্ত্রপুজো’]

আফগানিস্তানের ন্যাশনাল ডিরেক্টরেট অফ সিকিউরিটি সূত্রে খবর, আসিম উমর পাকিস্তানের নাগরিক। যদিও কিছু তদন্তকারী সংস্থার মতে, কুখ্যাত ওই আল কায়দা জঙ্গি ভারতের উত্তরপ্রদেশে জন্মে ছিল।

গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ১৯৯৫ সালে হজ করতে যাবে বলে পরিবারের কাছ থেকে একলক্ষ টাকা চেয়েছিল আসিম উমর। এরপর ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে আল কায়দা ও আইএসের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। আল কায়দায় যোগ দেওয়ার আগে সে কাশ্মীরপন্থী জঙ্গিগোষ্ঠী হরকাতুল মুজাহিদিন ও জইশ-ই-মহম্মদের হয়েও কাজ করেছে। নাশকতার কাজের জন্য দীর্ঘদিন আফগান সীমান্তের কাছে মিরানশাহ শহরেও দিন কাটিয়েছে। মিরানশাহ আগে পাকিস্তানের আদিবাসী জঙ্গিগোষ্ঠীর একটি শক্তিশালী ঘাঁটি বলে বিবেচিত হত।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং