Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Narendra Modi

জিনপিং নয়, ৫০ শতাংশ চিনা নাগরিকের পছন্দ মোদি সরকার, দাবি সমীক্ষায়

চিনের ৭০ শতাংশ মানুষের বিশ্বাস, ভারত-চিন সম্পর্ক তলানিতে গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২০, ১০:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২০, ১০:৫৪

options
link
জিনপিং নয়, ৫০ শতাংশ চিনা নাগরিকের পছন্দ মোদি সরকার, দাবি সমীক্ষায় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-চিন সম্পর্ক বরাবরই অম্লমধুর। গালওয়ান উপত্যকায় চিনের আগ্রাসন নীতির পর তা অবনতির দিকেই ধাবিত হয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (LAC) চিনের রক্তচক্ষুর পালটা জবাব দিয়েছে ভারতও। ভারতীয় সেনার শক্তি বাড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে ইগলা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। এমন পরিস্থিতিতেও প্রতিবেশী চিনের অর্ধেক মানুষের পছন্দের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নেতৃত্বাধীন সরকার। দাবি সেদেশের সরকারি মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসের (Global Times)।

[আরও পড়ুন: গালওয়ানের সংঘর্ষ ‘দুর্ভাগ্যজনক ও বিক্ষিপ্ত ঘটনা’, বরফ গলাতে কৌশলী চাল চিনা রাষ্ট্রদূতের]

ভারত ও চিনের মধ্যে কোন দেশের সরকার বেশি পছন্দ চিনের জনগণের? এই প্রশ্নের উত্তর পেতেই সমীক্ষায় আয়োজন করেছিল গ্লোবাল টাইমস। তাতেই প্রকাশ্যে এসেছে এই তথ্য। সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করা ৫০ শতাংশ চিনা নাগরিকই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। বাকি নাগরিক নিজের দেশের সরকারের (Chinese government) প্রতি আনুগত্য বজায় রেখেছেন। সমীক্ষায় আরও কয়েকটি প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। তাতে জানা গিয়েছে, চিনের ৭০ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন বিগত কয়েকদিনে ভারত-চিন সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। চিনের প্রতি ভারতীয় নাগরিকরা বেশি ক্ষুন্ন হয়েছেন। আবার ৩০ শতাংশ চিনা নাগরিকের বিশ্বাস ভবিষ্যতে ভারত-চিন সম্পর্ক ভালো হওয়ার আশা রয়েছে। যদিও ৯ শতাংশ নাগরিকের ধারণা, ভারত ও চিনের মধ্যে সম্পর্ক ভাল হলেও তা খুব বেশিদিন টিকবে না। কিন্তু ২৫ শতাংশ মানুষের আবার বিশ্বাস, ভবিষ্যতে ভারত ও চিনের সম্পর্ক মজবুত হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পাক সংসদে আটকে সন্ত্রাস দমন সংক্রান্ত বিল, চাপের মুখে ইমরান সরকার]

গালওয়ান উপত্যকার ঘটনার পরই ভারতে চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক জোরালো হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এর প্রভাব চিনের অর্থনীতে বেশ ভালভাবেই পড়েছে। ভারতের মতো বিশাল দেশের বাজার হারাতে হয়েছে শি জিনপিং (Xi Jinping) সরকারকে। তার ফলে চিনের সাধারণ নাগরিকদের মনে সরকারের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তারই প্রতিফলন গ্লোবাল টাইমসের সমীক্ষায় পাওয়া গিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.