BREAKING NEWS

১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  শনিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিপন্ন দেশ, বন্দুক হাতে সীমান্ত রক্ষায় যুদ্ধে যাচ্ছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: October 29, 2020 11:58 am|    Updated: October 29, 2020 12:48 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এগিয়ে আসছে হানাদার বাহিনী। বিপন্ন জননী জন্মভূমি। তাই দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে এবার যুদ্ধে শামিল হতে চলেছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের স্ত্রী অ্যানা হাকোবিয়ান।

[আরও পড়ুন: আঘাত হানছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, ফের কড়া লকডাউনের পথে ইউরোপের একাধিক দেশ]

গত সেপ্টেম্বর মাসের ২৭ তারিখ থেকে আর্মেনীয় অধ্যুষিত বিতর্কিত নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের দখল নিয়ে জোর লড়াই শুরু করছে আর্মেনিয়া (Armenia) ও আজারবাইজান (Azerbaijan)। রুশ পৌরহিত্যে দু’বার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি হলে তা ক্ষণস্থায়ী হয়। তাই ককেশাসে শান্তি ফেরাতে কয়েকদিন আগে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে আলাদাভাবে ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসেন মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেও। তবে সেই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়। ফলে দুই দেশের মধ্যে লড়াই আরও তীব্র হয়েছে। যুদ্ধে এপর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এহেন পরিস্থিতিতে শত্রু বাহিনীকে রুখে দিতে মহিলা সেনাদলের নেতৃত্ব দিতে তৈরি হচ্ছেন ৪২ বছরের অ্যানা। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, আপাতত একটি সেনঘাঁটিতে ১২ জন মহিলা সৈনিকের সঙ্গে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন তিনি। কয়কদিনের মধ্যেই ফ্রন্টের উদ্দেশে রওনা দেবেন তাঁরা। তাঁর বক্তব্য, “আমাদের সম্মান ও মাতৃভূমি কোনওটাই শত্রুর হাতে তুলে দেব না।” তবে শুধু অ্যানা নয়, প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের আরও সদস্য এই লড়াইয়ে শামিল হয়েছেন। ‘পাবলিক রেডিও অফ আর্মেনিয়া’ জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নিকোল ও অ্যানার পুত্র অ্যাশট পাশিনিয়ানও কারাবাখ অঞ্চলে আজারবাইজানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছেন।

উল্লেখ্য, ককেশাস অঞ্চলে চলা এই লড়াইয়ে রীতিমতো বিভক্ত বিশ্ব। আজারবাইজানের পক্ষে রয়েছে তুরস্ক, পাকিস্তানের ও মুসলিম বিশ্বের একাধিক দেশ। আর্মেনিয়ার পক্ষে রয়েছে ফ্রান্স-সহ বেশ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। এই সংঘাতে নিজেদের স্বার্থে জড়িয়ে পড়েছে আমেরিকা ও রাশিয়া। ফলে যুদ্ধের আগুন শীঘ্রই না নিভলে বিশ্বযুদ্ধের দাবানল ছড়িয়ে পড়বে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

[আরও পড়ুন: পা কাঁপছিল পাক সেনাপ্রধানের, ভারতের ভয়ে অভিনন্দনকে ছেড়ে দেয় পাকিস্তান!]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement