BREAKING NEWS

১৬ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  শনিবার ৩০ মে ২০২০ 

Advertisement

শুধুমাত্র ফলমূল খেয়ে অপুষ্টির শিকার, জীবনযুদ্ধে হার দুধের শিশুর

Published by: Sayani Sen |    Posted: November 23, 2019 3:04 pm|    Updated: November 23, 2019 3:04 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে বেশিরভাগ মানুষ এখন অনেক ভাবনাচিন্তা করেন। চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা না করেও অনেকেই মনগড়া ডায়েটে অভ্যস্ত হতে থাকেন। কিন্তু এই ভুল ভুলেও করবেন না। কারণ, চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা না করে ডায়েট করলে তার ফল হতে পারে মারাত্মক। ডায়েটের জেরে অপুষ্টি থেকে হতে পারে মৃত্যুও। ঠিক যেমন ফ্লোরিডায় ভেগান ডায়েটের ফলে অপুষ্টির শিকার হয়ে মৃত্যু আঠারো মাসের এক শিশুর। অবহেলার অভিযোগে পুলিশ তার বাবা এবং মাকে গ্রেপ্তার করেছে।

দম্পতি শিলা এবং রায়ান ও’লরির তিন সন্তান রয়েছে। তাঁদের সবচেয়ে ছোট সন্তান ১৮ মাস বয়সি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ফ্লোরিডার ওই দম্পতির পরিবারের সকলেই ভেগান ডায়েটে অভ্যস্ত। তা থেকে বাদ যায় না শিশুরাও। ওই দম্পতির ১৮ মাসের খুদেও মায়ের স্তন্যদুগ্ধের পাশাপাশি ফলমূল খেতেই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। তবে চিকিৎসকদের দাবি, ক্রমশই ওজন কমছিল খুদের। শ্বাসকষ্টও শুরু হয়েছিল তার। অসুস্থ ওই শিশুকে ভরতি করা হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন খুদের ওজন কমে দাঁড়ায় ১৭ পাউন্ডে। যা শিশুর বয়সের নিরিখে অত্যন্ত কম। হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় খুদের। চিকিৎসকরা বলেন, “গত ছ’মাস যাবৎ শিশুটি নানারকমের অসুস্থতায় ভুগছিল। অপুষ্টির জেরেই নানা রোগ ওর শরীরে প্রভাব ফেলেছিল।”

[আরও পড়ুন: বিপদের মুখে ত্রাতা ‘ঠাকুমা’, নিজের জামা খুলে বাঁচালেন দগ্ধ কোয়ালার প্রাণ]

নিহতের মা শিলা বলেন, “আমরা ভেগান ডায়েট মেনেই খাওয়াদাওয়া করি। ফল, কাঁচা শাকসবজি খাই। এই খাবারদাবার খেয়েই আমি তিনটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলাম। বাড়িতেই জন্মেছিল আমার ছোট ছেলে। ওকে ফলমূল এবং স্তন্যদুগ্ধ পান করাতাম। তা সত্ত্বেও কিছুতেই ওর ওজন বাড়ছিল না।” পুলিশের দাবি, ওই দম্পতির আরও দুই সন্তানের অবস্থাও প্রায় একইরকম। তারাও ভুগছে অপুষ্টিতে। খরচের কথা ভেবে তাদের স্কুলেও পাঠায় না ওই দম্পতি। সন্তানদের প্রতি অবহেলার অভিযোগে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তারের পর লি কাউন্টি জেলে রাখা হয়েছে। তাদের বাকি দুই সন্তানকে পাঠানো হয়েছে হোমে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement