Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Iran

ইরানের সঙ্গে আণবিক চুক্তিতে ফিরতে পারেন বিডেন, তীব্র আপত্তি ইজরায়েলের

হোয়াইট হাউসে পটপরিবর্তন প্রক্রিয়ায় তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে তেহরান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২০, ১৬:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২০, ১৬:৩৯

options
link
ইরানের সঙ্গে আণবিক চুক্তিতে ফিরতে পারেন বিডেন, তীব্র আপত্তি ইজরায়েলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর ইরানের সঙ্গে আণবিক চুক্তিতে ফিরতে পারেন জো বিডেন (Joe Biden)। এমনটাই মনে করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)। ইউনিয়নের বিদেশনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল একটি মার্কিন দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই আশা ব্যক্ত করেন। এদিকে, তেহরানের সঙ্গে আণবিক চুক্তিতে ফিরলে ভুল করবেন বিডেন বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইজরায়েল (Israel)।

[আরও পড়ুন: ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের দাবিতে বিক্ষোভ, পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে উত্তাল পাকিস্তান]

আণবিক চুক্তি নিয়ে বোরেল বলেন, “বিডেন ওয়াশিংটনকে তার অতীতে ফেরত নিয়ে যেতে পারলে তা ভাল খবর হবে। তবে নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিডেন যে এখনই অভাবনীয় কিছু করে ফেলবেন এমন কিছুও EU আশা করে না। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর আমেরিকাকে যেসব দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে বের করে নিয়েছিলেন বিডেন সেসব চুক্তিতে আবার ফিরে যেতে পারেন।”

Advertisement

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদেশনীতি বিষয়ক প্রধান হিসেবে বোরেলের পূর্বসুরি ফেডেরিকা মোগেরিনি ২০১৫ সালে ছয় দেশের সঙ্গে ইরানের পরমাণু সমঝোতা স্বাক্ষরে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছিলেন। মার্কিন দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বোরেল দাবি করেন, আমেরিকা এই সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও ইউরোপ ইরানের সঙ্গে এই চুক্তিতে বহাল রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের মে মাসে এই সমঝোতা থেকে আমেরিকাকে বের করে নেন। গত ৩ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন আমেরিকাকে ইরানের পরমাণু সমঝোতা-সহ সব দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক চুক্তিতে ফিরে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ‘ইসলামিক বিপ্লব’-এর সময় থেকেই ইরান-আমেরিকা সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়। তেহরানে নেই কোনও মার্কিন দূতাবাসও। ইরানের বিরুদ্ধে একের পর এক আর্থিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রম্প (Donald Trump)। এহেন পরিস্থিতিতে হোয়াইট হাউসে পটপরিবর্তন প্রক্রিয়ায় তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে তেহরান।

[আরও পড়ুন: আজারবাইজানের সঙ্গে বিতর্কিত শান্তিচুক্তির জের, পদত্যাগ আর্মেনিয়ার বিদেশমন্ত্রীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.