ফের অশান্ত পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশ। আততায়ীদের হামলায় আবারও রক্ত ঝরল সেখানে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন পুলিশকর্মীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই হামলার দায় কেউ স্বীকার না করলেও মনে করা হচ্ছে, এর নেপথ্যে রয়েছে পাকিস্তানে সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান (টিটিপি)।
সোমবার খাইবার পাখতুনখোয়ার ট্যাঙ্ক জেলার গোমাল বাজারের কাছে একটি পুলিশের কনভয় দাঁড়িয়ে ছিল। আচমকা সেটির সামনে ভয়াবহ একটি বিস্ফোরণ হয়। এরপরই চারদিকে হুলস্থূল পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭ জন পুলিশ কর্মীর। তবে এই বিস্ফোরণে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণ গিয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অন্য স্থানে বসে রিমোটের মাধ্যমে এই বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছে। হামলাকারীদের এখনও শনাক্ত করতে পারেনি তদন্তকারীরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গোটা ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে রয়েছে টিটিপি। এর আগেও বহুবার তারা রক্তাক্ত করেছে পাকিস্তানকে। বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন, লাগাতার বিদ্রোহীদের হামলার জেরে এবার কি গৃহযুদ্ধে খণ্ডিত হবে পাকিস্তান?
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের মাথাব্যাথার অন্যতম বড় কারণ এই আফগানিস্তানের মদতপুষ্ট টিটিপি। খাইবার পাখতুনখোয়া, বালোচিস্তান-সহ পাক-আফগান সীমান্ত এদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার দাবি এখানকার মানুষের দীর্ঘদিনের। যার জেরে এইসব অঞ্চল থেকে প্রায়শই পাক সেনাবাহিনীর উপর চলে মারণ হামলা। এদিকে, এই অঞ্চলগুলোর মধ্যে দিয়ে গিয়েছে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসি। গত বছর জুন মাসে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের উত্তর ওয়াজিরিস্তান জেলায় একটি ফিঁদায়ে হামলা হয়। সেখানে মৃত্যু হয় ১৬ জন জওয়ানের। দফায় দফায় এই ঘটনায় ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, পরিস্থিতি যে পথে এগোচ্ছে তাতে যে কোনওদিন ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে পাকিস্তানে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মধ্যরাতে চলন্ত ট্রেনে অন্তঃসত্ত্বাকে ধর্ষণ! আলিপুরদুয়ারে অভিযুক্তকে তাড়া রেল পুলিশের, তারপর…
-
মিউজিক থেরাপির সঙ্গে শোভনের ভালোবাসা আর যত্ন, কীভাবে দিন কাটছে গর্ভবতী সোহিনীর?
-
এবার ঘরে ঘরে ‘রানি লক্ষ্মীবাঈ’! ছাত্রীদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ মিলবে সরকারি স্কুলেই
-
দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী, অথচ সম্পদের চূড়ায় টুলু মণ্ডলরা
-
পর্তুগালে মোটা মাইনের চাকরির টোপ! মদের দোকানির কাছে বিক্রি করা হল ভারতীয় তরুণীকে, তারপর…