Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

যন্ত্রের মাধ্যমে ‘কার্বন শোষণ’, পরিবেশ রক্ষায় বড় পদক্ষেপ ব্রিটেনের

ইউরোপে এই প্রথম পরিবেশ রক্ষায় এমন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯, ২১:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯, ২১:৩৯

options
link
যন্ত্রের মাধ্যমে ‘কার্বন শোষণ’, পরিবেশ রক্ষায় বড় পদক্ষেপ ব্রিটেনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ব পরিবেশ রক্ষায় শেষমেশ হুঁশ ফিরল উন্নত বিশ্বের। অতিরিক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড থেকে বায়ুমণ্ডলকে বাঁচাতে ইউরোপে শুরু হল কার্বন শোষণ পদ্ধতি। প্রথম পদক্ষেপ নিল ব্রিটেনে ‘ড্রাক্স’ সিস্টেম। কাঠ জ্বালানোর ফলে যে অতিরিক্ত কার্বন বাতাসে মেশে, তাকে শোষণ করে পরিবেশে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ভারসাম্য বজায় রাখার লক্ষ্যে শুরু হয়েছে কাজ। গোটা ইউরোপে এটাই প্রথম কোনও সদর্থক পদক্ষেপ।

কীভাবে এই কার্বন শোষণের কাজ হচ্ছে, তা বোঝার আগে একবার ড্রাক্স সিস্টেমের কার্যকারিতা জেনে নেওয়া যাক। ব্রিটেনের বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস এই ড্রাক্স। প্রতিদিন প্রায় সাত লক্ষ টন কাঠের টুকরো জ্বালিয়ে গোটা দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চয়ের পরিমাণ যথাযথ রাখতে সাহায্য করে। এবার সেই একই প্রযুক্তির ভিন্নতর প্রয়োগকে কাজে লাগিয়ে শুরু হবে বিপরীত কাজ – কার্বন উৎপাদনের পরিবর্তে কার্বন শোষণ। লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা তৈরি করেছেন এই বিপরীত প্রযুক্তি। অ্যামাইন নামে একটি জৈব রাসায়নিক যৌগ ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষকরদের দাবি, অ্যামাইন খুব সহজেই কার্বন শোষণ করতে পারে এবং তার শোষণ ক্ষমতাও বেশি। সি-ক্যাপচার অর্থাৎ কার্বন ক্যাপচার নামের এই নতুন প্রযুক্তিতে ব্যবহার করা হয়েছে জৈব দ্রবণ, যাতে বিষাক্ত প্রভাব কিছুটা কমে যায় এবং কাজ হয় মসৃণভাবে। ড্রাক্সের মূল কাজ, কাঠ পোড়ানো বা জঙ্গলে কোনওরকমভাবে বাড়তি কার্বন-ডাই-অক্সাইড তৈরি হলে, সেই বাড়তি দূষণকে নিয়ন্ত্রণ করা।

Advertisement
লাহোরে ভারত বিরোধী মিছিলে হাফিজ, পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি ভারতের

ড্রাক্স পাওয়া সিস্টেমের সিইও অ্যান্ডি কসের কথায়, ‘এই প্রকল্প এখনও অনেক ছোট আকারে রয়েছে। সেখান থেকেই আমরা কাজ শুরু করছি। সবুজায়নের লক্ষ্যে এটা বড় পদক্ষেপ। খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রযুক্তি। আগামী দিনে এর বাণিজ্যকরণে আগ্রহী আমরা।’ এই প্রকল্পের অন্যান্য গবেষকরা হিসেবনিকেশ করে বলছেন, যদি খুব ভালভাবে কার্বন ক্যাপচার ব্যবহার করা যায়, তাহলে বছরে গড়ে বিশ্বের উষ্ণতা কমতে পারে দেড় ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড মতো।

মার্কিন সহায়তায় অভেদ্য বর্মে ঢাকা পড়ছে প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির বিমান

ক্ষতিকারক কার্বন-ডাই-অক্সাইড সহ গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে এবং বিশ্বউষ্ণায়ন রোধে বহুবার গোল টেবিল বৈঠক করেছেন বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্রপ্রধানরা। অনেক লক্ষ্যমাত্রা ঠিক হয়েছে। প্রথম বিশ্বের দেশ হিসেব সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসৃত করা চিন, আমেরিকা, ব্রিটেনের ওপর বাড়তি দায়িত্ব পড়েছে। কিয়োটো প্রোটোকল বা প্যারিস চুক্তি – সবই হাতে,কলমে স্বাক্ষরিত। বাস্তবায়নে তেমন কোনও উদ্যোগ দেখা যায় না। বিজ্ঞানীমহলের মতে, রাজনৈতিক চুক্তির ওপর কোনও ভরসা নেই। বাধ্য হয়ে নিজেরাই নেমেছেন সমস্যা সমাধানে। তারই প্রথম পদক্ষেপ – ড্রাক্সের মাধ্যমে কার্বন শোষণ করে পরিবেশকে সুস্থ রাখা।     

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.