Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Iran

মহিলাদের ধর্ষণ, উপড়ে ফেলা হচ্ছে জরায়ু, চামড়া সমেত ছেঁড়া হচ্ছে চুল! ইরানে বিক্ষোভ দমাতে নৃশংস অত্যাচার

ইরানি-বংশোদ্ভূত জার্মান সাংবাদিক মিশেল আবদুল্লাহির দাবি, বিক্ষোভ দমাতে প্রথমে অন্দোলনকারী মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা কাজে আসেনি। বরং প্রতিবাদী মহিলাদের গর্জন আরও বৃদ্ধি পায়। এরপরই দমনপীড়নের মাত্রা আরও বাড়ায় ইরানের প্রশাসন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৫:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৫:০৬

options
link
মহিলাদের ধর্ষণ, উপড়ে ফেলা হচ্ছে জরায়ু, চামড়া সমেত ছেঁড়া হচ্ছে চুল! ইরানে বিক্ষোভ দমাতে নৃশংস অত্যাচার zoom
ইরানে বিক্ষোভ সম্পূর্ণ দমন করতে নিশানা করা হচ্ছে প্রতিবাদী মহিলাদের।
Advertisement

সরকার-বিরোধী আন্দোলনে গত ডিসেম্বর থেকে উত্তপ্ত ইরান। মহিলা, পুরুষ নির্বিশেষে পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভ দমাতে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ডের দমনপীড়ন আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। এবার প্রকাশ্যে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিক্ষোভ সম্পূর্ণ দমন করতে নিশানা করা হচ্ছে প্রতিবাদী মহিলাদের। তাঁদের উপর চলছে নৃশংস অত্যাচার এবং যৌন নির্যাতন!

ইরানি-বংশোদ্ভূত জার্মান সাংবাদিক মিশেল আবদুল্লাহির দাবি, বিক্ষোভ দমাতে প্রথমে অন্দোলনকারী মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা কাজে আসেনি। বরং প্রতিবাদী মহিলাদের গর্জন আরও বৃদ্ধি পায়। এরপরই দমনপীড়নের মাত্রা আরও বাড়ায় ইরানের প্রশাসন। অভিযোগ, সে দেশের নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিবাদী মহিলাদের তুলে নিয়ে ধর্ষণ, গণধর্ষণ করেছে। কেটে নেওয়া হচ্ছে তাঁদের জরায়ু। শুধু তা-ই নয়, চামড়া সমতে উপড়ে নেওয়া হচ্ছে মহিলারদের মাথার চুল। জার্মান পত্রিকা ‘ডাই ভেল্ট’-এর প্রতিবেদনেও এমন নৃশংস অত্যাচারের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

Advertisement

নারকীয় এই অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও। দাবি করা হচ্ছে, যৌন নির্যাতনের যাতে কোনও প্রমাণ না থাকে তার জন্য পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বহু মহিলার দেহ।

এর আগে জানা গিয়েছিল, ইরানে বিক্ষোভ দমাতে সে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে ‘দেখা মাত্র গুলি’র নির্দেশ দিয়েছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। প্রকাশ্যে এসেছিল রক্তাক্ত রাজপথ এবং শয়ে শয়ে মৃতদেহের ছবি। কিন্তু তাতেও শান্ত হননি খামেনেই। জানা যাচ্ছে, নারকীয় এই অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও। দাবি করা হচ্ছে, যৌন নির্যাতনের যাতে কোনও প্রমাণ না থাকে তার জন্য পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বহু মহিলার দেহ।

ইরানে মূল্যবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য-শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, কট্টরপন্থী ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। প্রথম থেকেই অভিযোগ ছিল, বিক্ষোভ রুখতে হিংসাত্মক দমন-পীড়ন চালাচ্ছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। সম্প্রতি আমেরিকার মানবাধিকার সংগঠনের সংবাদসংস্থা (এইচআরএএনএ) দাবি করেছিল, উত্তাল ইরানের মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন হাজার। অপর একটি রিপোর্টে আবার দাবি করা হয়েছে, ইরানে মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে ১৬ হাজার। গোটা ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক মহল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.