BREAKING NEWS

১৫ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  শুক্রবার ২৯ মে ২০২০ 

Advertisement

ট্রাম্পের নতুন নীতি, গ্রিন কার্ডের বদলে এবার মেধার ভিত্তিতে ভিসা

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: May 18, 2019 9:42 am|    Updated: May 18, 2019 9:42 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘মেক আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি রূপায়ণে আরও এক পদক্ষেপ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার অভিবাসীদের জন্য ভিসা নীতিতে বদল আনতে চলেছেন তিনি। বর্তমানে অভিবাসীদের জন্য ‘গ্রিন কার্ড’ দেওয়ার যে ব্যবস্থা রয়েছে, তার পরিবর্তে আসবে ‘বিল্ড আমেরিকা’ ভিসা। যার ভিত্তি হবে মেধা, উচ্চশিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও মার্কিন মুলুকে চাকরির প্রস্তাব। যার জেরে মার্কিন মুলুকে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীর ‘কোটা’ ১২ থেকে বাড়িয়ে ৫৭ শতাংশ করতে চলেছেন ট্রাম্প। আত্মীয়স্বজন দীর্ঘদিন আমেরিকায় থাকেন, এই যুক্তিতে ‘বিল্ড আমেরিকা’ ভিসা ইস্যু করা হবে তুলনায় কম সংখ্যায়। প্রতি বছর আমেরিকা ১১ লক্ষ গ্রিন কার্ড মঞ্জুর করে। যার সাহায্যে বিদেশি নাগরিকরা কাজ বা শিক্ষার স্বার্থে আজীবন আমেরিকায় থাকার সুযোগ পান। পাঁচ বছর পরে আমেরিকার নাগরিকত্ব পাওয়ারও সুযোগ থাকত।

[আরও পড়ুন: ৩০০-র বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরছি’, আত্মবিশ্বাসী মোদি-শাহ]

বৃহস্পতিবারই ট্রাম্প ভিসা নীতিতে বদলের কথা জানান। তাঁর দাবি, “আমেরিকায় যাঁরা এখন বসবাস করেন, তাঁদের দেশ স্বাগত জানিয়েছে। আগামিদিনের অভিবাসীদেরও স্বাগত জানাতে তৈরি। এই নীতি সেই পবিত্র দায়িত্ব পূরণ করবে।” হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে ট্রাম্প আরও বলেন, “আমেরিকার দরজা সকলের জন্য খোলা। কিন্তু সেই প্রবেশ মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে হওয়া উচিত।” নতুন অভিবাসন পরিকল্পনা ঘোষণা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, “আমরা এখন বছরে যতগুলি গ্রিন কার্ড ইস্যু করি, তার সংখ্যা কমানো হবে না। তবে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো দেশগুলিতে যে নিয়মে ওই ধরনের ভিসা দেওয়া হয়, আমরাও এবার সেভাবে ভিসা দিতে চাইছি। আমাদের লক্ষ্য, অভিবাসনের অধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে মেধা, উচ্চশিক্ষাগত যোগ্যতা আর দক্ষতার বিষয়টিই আরও বেশি অগ্রাধিকার পাক। তাতে আমেরিকার মঙ্গল। আমেরিকা আরও বেশি সংখ্যায় মেধাবী, উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ পাবে দেশের অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কোন দেশে জন্মেছেন, আত্মীয়-পরিজন এখানে থাকেন কি না, দেখা হবে না। আমরা যে মাপকাঠি তৈরি করব, তা পূরণ করলে যে কেউ আমেরিকার নাগরিক হতে পারবেন। পুরোপুরি স্বচ্ছ একটা ব্যবস্থা। এর ফলে অভিবাসনে বৈচিত্র আসবে।”

একই সঙ্গে ট্রাম্প জানিয়েছেন, উচ্চ বেতনের প্রস্তাব পাওয়া অভিবাসীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। যাতে কম বেতনে বিদেশি নাগরিক এনে কোনও সংস্থা মার্কিনিদের বঞ্চিত করতে না পারে। অভিবাসীদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে হবে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের ইংরেজি জানতে হবে। দিতে হবে নাগরিক সচেতনতার পরীক্ষাও। যাতে ভবিষ্যতে আমেরিকার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ আরও সমৃদ্ধ হয়।

[আরও পড়ুন: এক সিরিঞ্জেই বহুজনকে ইঞ্জেকশন, পাকিস্তানে HIV আক্রান্ত চারশোরও বেশি]

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement