৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের অর্থনীতিকে বাঁচাতে আসরে নামল চিন। পাকিস্তানে নানা প্রকল্পে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চলেছে বেজিং। পাকিস্তানে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও জিং ইসলামাবাদে মহিলা শিল্পপতি ও বণিক সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন।  তিনি জানান, শত কোটি ডলার অর্থ বিনিয়োগ করতে চলেছে চিন। পাক-চিন অর্থনৈতিক করিডরের কাজ এগোচ্ছে ভালভাবেই।  চিন-পাকিস্তান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়ে যাবে অক্টোবরেই। ফলে পাকিস্তানে উৎপাদিত পণ্য ও খাবারের ৯০ শতাংশই চিনে সহজে রপ্তানি করা যাবে।

[আরও পড়ুন: আসছে তালিবানের যম ‘কালো ভ্রমর’, আফগানিস্তানে নয়া অস্ত্র আমেরিকার]

অর্থনীতি চাঙ্গা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাক মসনদে বসেছেন ইমরান খান। তবে পাক সেনার আজ্ঞাবহ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কাশ্মীর নিয়ে সুর চড়ানো ছাড়া কিছুই করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে ধারা ৩৭০ লোপ পাওয়ার পর থেকে নিষ্ফল আক্রোশে ভারত থেকে জীবনদায়ী ওষুধ আমদানিও বন্ধ করে দেয় ইসলামাবাদ। যদিও চাপে পড়ে শেষমেশ সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পড়শি দেশটি। সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে একঘরে ইসলামবাদ। ফলে নিকট ভবিষ্যতে বিদেশি লগ্নি আসার সম্ভাবনাও নেই বললেই চলে। আগের মতো আর্থিক মদত দিচ্ছে না আমেরিকাও। ফলে ফের চিনের কাছে সাহাযয ভিক্ষা করছিল পাকিস্তান। সেই মতো বেহাল দেশটিকে কিছুটা স্বস্তি দিয়ে বিনিয়োগের কথা জানিয়েছে বেজিং।   

উল্লেখ্য, ২০১৫-তে স্বাক্ষর হওয়া মউয়ের ভিত্তিতে চিন-পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডর বা সিপিইসি নির্মাণকার্য শুরু হয়েছে৷ চিনের প্রস্তাবিত ওয়ান বেল্ট,ওয়ান রোড নীতির উপর ভিত্তি করে, তাদের অর্থ সাহায্যেই এই করিডর তৈরি হচ্ছে৷ পাকিস্তানের গদর বন্দর থেকে চিনের শিনজিং প্রদেশ পর্যন্ত মোট ২,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথটি তৈরি করা হচ্ছে৷ এই করিডর নিয়ে প্রথম থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে ভারত  ও বালোচরা৷ অভিযোগ, পেশিশক্তির জোরে পাকিস্তানের বলোচদের বাসভূমি কেড়ে নিয়ে এই করিডর তৈরি করছে পাকিস্তান৷ যাতে পূর্ণ মদত দিচ্ছে চিন৷

[আরও পড়ুন: শিক্ষকের লাথি-ঘুসিতে মৃত্যু ছাত্রের, প্রতিবাদে স্কুলে আগুন সহপাঠীদের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং