Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬

জঙ্গি হাফিজ সইদকে বাঁচাতে এবার আসরে জিনপিংয়ের চিন

ভারতের বিরুদ্ধে নয়া ষড়যন্ত্র রচনা করছে 'ড্রাগন'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০১৮, ১১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০১৮, ১১:২৪

options
link
জঙ্গি হাফিজ সইদকে বাঁচাতে এবার আসরে জিনপিংয়ের চিন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২৬/১১ মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদকে বাঁচাতে চান চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এ ব্যাপারে নাকি পাকিস্তানের পদক্ষেপ নিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহিদ খান আব্বাসিকে পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। বলেছেন সইদকে প্রচারের আলোর বাইরে রাখতে। দরকার পড়লে তাকে পশ্চিম এশিয়ার কোনও দেশে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যেতে। আব্বাসিরই এক ঘনিষ্ঠ সূত্রকে উদ্ধৃত করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যম। যা সামনে আসতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েছে চিন। অস্বীকারও করেছে গোটা বিষয়টি।

[আমেরিকাকে বার্তা, দক্ষিণ চিন সাগরে প্রথমবার নামল চিনা বোমারু বিমান

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ওই রিপোর্টকে ‘জঘন্য’ এবং ‘ভিত্তিহীন’ অভিযোগ বলে মন্তব্য করে চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি। দিন কয়েক আগেই পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ একটি বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন, ২৬/১১ মুম্বই হামলায় পাকিস্তানের ভূমিকা ছিল। এরপরই হাফিজকে নিয়ে ফের হইচই শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। পাক-চিন এই বৈঠকের বিষয়টিও হয় সেই সাক্ষাৎকারের কাছাকাছি সময়েই।

রিপোর্ট বলছে, গত মাসেই পরামর্শ দেওয়া নেওয়ার এই বিষয়টি ঘটে। চিনে অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরামের সম্মেলন চলাকালীন। সেখানেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আব্বাসির সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন জিনপিং। ৩৫ মিনিটের ওই বৈঠকে টানা ১০ মিনিট আলোচনা হয় হাফিজ সইদকে নিয়ে। জানিয়েছেন আব্বাসির এক ঘনিষ্ঠসূত্রই। নাম না করে তাঁর উদ্ধৃতি দিয়ে ওই পাক সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, জিনপিং আব্বাসিকে পরামর্শ দেন, সইদকে আপাতত পাকিস্তান থেকে সরিয়ে পশ্চিম এশিয়ার কোনও দেশে স্থানান্তরিত করতে। হাফিজের নিরাপত্তার জন্যই ওই পদক্ষেপ করা প্রয়োজন বলেও জানান জিনপিং। এর জবাবে পাক প্রধানমন্ত্রী আব্বাসির প্রতিক্রিয়া না জানালেও সূত্রটি জানিয়েছে, “চিনের প্রেসিডেন্ট বিশেষভাবে জোর দিচ্ছিলেন হাফিজকে প্রচারের আলো থেকে সরানোর ব্যাপারে। এ নিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রীকে রাজি করাতে রীতিমতো চাপ দিচ্ছিলেন তিনি।” যদিও রিপোর্টটি নিয়ে আলোচনা প্রকাশ্যে আসতেই চিন গোটা বিষয়টি অস্বীকার করে।

এমনিতে চিন এবং পাকিস্তানের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণই। তবে এই ঘটনায় দু’দেশের সম্পর্কে অশান্তির মেঘের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে পাকিস্তানের পিএমএল-এন সরকারের সঙ্গে সে দেশের সেনাবাহিনীর সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় এই আশঙ্কা আরও দৃঢ় হল। উল্লেখ্য, এর আগে পাঠানকোট হামলার মূলচক্রী আজহারকেও রাষ্ট্রসংঘে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণার চেষ্টায় বাধা দিয়েছিল চিন। পাক মিডিয়ার দাবি সত্যি হলে ভারতের বুকে সন্ত্রাস চালানো জঙ্গিদের বাঁচানোর এটি দ্বিতীয় চেষ্টা চিনের। ২৬/১১ মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদ। ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল ওই হামলায়। যার মধ্যে ছ’জন মার্কিন নাগরিক ছিলেন। সইদের মাথার দাম আগেই এক কোটি মার্কিন ডলার ঘোষণা করেছিল আমেরিকা। রাষ্ট্রসংঘের তরফেও তাকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী বলে চিহ্নিত করা হয়। আব্বাসির ঘনিষ্ঠ সূত্রের অভিযোগ মানলে সেই হাফিজকেই নিরাপদ জায়গায় সরানোর পরামর্শ দেন জিনপিং।

[রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইট-পাটকেল, মদের বোতল নিক্ষেপ বার্মিজ সেনার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.