Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬

চিনা গবেষণাগারে জন্ম নিল বাঁদরের ‘ক্লোন’, জল্পনা মানুষ নিয়েও

গবেষকদের দাবি, এই উদ্যোগ সহায়ক হবে মারণরোগ নিরাময়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯, ১৫:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯, ১৫:০৬

options
link
চিনা গবেষণাগারে জন্ম নিল বাঁদরের ‘ক্লোন’, জল্পনা মানুষ নিয়েও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সীমান্তে কিংবা পরমাণু অস্ত্রে নয়, টক্কর এবার গবেষণাগারে।

হতেই পারে পাশের বাড়ির মেয়েটির কোনও যমজ বোন না থাকা সত্ত্বেও হুবহু তারই মতো দেখতে একজনকে তারই পাশে ঘুরে বেড়াতে দেখলেন আপনি কয়েক বছর পরে। হয়তো গবেষণাগার থেকেই তাকে তৈরি করে আনা হয়েছে টাটকা। হতেই পারে সন্তান বিয়োগের যন্ত্রণা ভুলতে আবারও তাকেই ফিরে পেতে চাইলেন বাবা-মা। শোক ভুলতে সন্তানের মতো হুবহু একজনকেই ফিরে পেতে চেয়ে ‘অর্ডার’ করলেন ‘ল্যাবরেটরি’-তে। সেই দিন আসতে খুব একটা দেরি নেই কিন্তু। এর আগে তৈরি হয়েছিল ভেড়ার প্রতিলিপি। এবার হল বাঁদরের। সাফল্য পেলেন চিনের বিজ্ঞানীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[OMG! বাঁদরছানার উৎপাতে ভরা রাস্তায় এ কী হাল হল এই পর্যটকের]

জেন লিউ নামে এক পোস্টডক্টরাল গবেষকের নাম উঠে এল এই গবেষণায়। আমেরিকার ‘সেল’ পত্রিকায় সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে বাঁদরের ক্লোন নির্মাণের গবেষণাপত্রটি। প্রসঙ্গত, ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে অপর একজন মানুষের জিনগত প্রতিরূপ তৈরি করা হয়। এই প্রসঙ্গে চিনা গবেষক কুয়াং সান বলেন, ‘বাঁদরের ক্লোন করার এই সাফল্য এইডস ও ক্যানসারের মতো মারণ রোগ, দেহের ভিতরে বাইরের নানা জিনগত রোগ নিয়ে গবেষণায় সহায়ক হবে।’ তবে কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডারেন গ্রিফিন বলেন, ‘এটি প্রযুক্তিগত দিক থেকে অত্যন্ত খুশির খবর হলেও নীতিগত নানা প্রশ্ন তো রয়েইছে। পরবর্তীতে এই নিয়ে বিতর্কের সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ মানব ক্লোনের অপব্যবহার করে নবজাতককে বিকলাঙ্গ করে দেওয়া কিংবা অতীতের কোনও কুখ্যাত মৃত ব্যক্তিকে পুনরায় ফিরিয়ে আনাও সম্ভব হতে পারে।’

[জনপ্রিয়তা কমছে মোদির, সেরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা]

ডলি নামের একটি ভেড়াই জিন গবেষণায় প্রথম সাফল্য এনে দিয়েছিল বিজ্ঞানীদের। এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোজালিন ইনস্টিটিউটে তৈরি হয়েছিল প্রথম ক্লোন ডলি। বিজ্ঞানীদের গবেষণার পদ্ধতি মেনেই এবার চিনের একটি গবেষণাগারে কয়েক সপ্তাহ আগে লম্বা লেজ বিশিষ্ট মাঝারি আকারের দুটি বাঁদর ঝোং ঝোং এবং হুয়া হুয়া জন্ম (ম্যাকাকা ফ্যাসিকুলারিস) নিল। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ক্ষেত্রে যৌন প্রজনন পদ্ধতির মাধ্যমেই জন্ম নেয় প্রাণী। কিন্তু গবেষণাগারে ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে দুটি বাঁদরের জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছেন চিনের বিজ্ঞানীরা। চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস (সিএএস) ও ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সের বিজ্ঞানীদের গবেষণায় এবার প্রথম প্রাইমেট গোত্রের ক্লোনে মিলল সাফল্য। ১৯৯৬ সালে একটি ভেড়ার শরীরের কোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছিল মায়ের মতো একই রকম দেখতে ডলিকে। প্রায় ২০ বছর পরে ভেঙে গেল বাধা। একাধিক প্রাণীর ক্লোন তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা আগেও। তালিকায় রয়েছে, কুকুর, বিড়াল, শূকর। বাঁদরের ক্লোন এই প্রথমবার। মানুষও এই গোত্রেরই। ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এবার কি তবে মানুষের ক্লোন নিয়ে গবেষণারত চিনের বিজ্ঞানীরা? তাই সীমান্ত ছাপিয়ে বিতর্ক এবার গবেষণাগারেও।

[নেতানিয়াহুর ঘরে ঢুকলে খোলো অন্তর্বাস, হেনস্তা মহিলা সাংবাদিককে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.