Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬
মোদি

চিনের কাছে পাকিস্তানের নামে নালিশ মোদির, এবছরই ভারতে আসছেন জিনপিং

পাকিস্তানের উপর চাপ সৃষ্টি করুক চিন, দাবি ভারতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৯, ১১:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৯, ১১:৪২

options
link
চিনের কাছে পাকিস্তানের নামে নালিশ মোদির, এবছরই ভারতে আসছেন জিনপিং zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে এবছরেই ভারতে আসছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন মোদি। সেই বৈঠকে মোদি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বলে সূত্রের খবর। এবং বৈঠক শেষে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ভারতে আসার জন্য আমন্ত্রণও জানান প্রধানমন্ত্রী। সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট। এবং এবছরই তিনি ভারতে আসবেন বলে জানিয়েছেন। জিনপিংয়ের এই সফর দু’দেশের সম্পর্কে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলে আশা কূটনীতিবিদদের।

[আরও পড়ুন: জামিনের আবেদন বাতিল, আপাতত জেলেই কাটাতে হবে নীরব মোদিকে]

বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠকে মোদির যাওয়া নিয়ে নাটক কম হয়নি। প্রথমে পাকিস্তানের উপর দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। সেই মতো পাক সরকারের কাছে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতিও চাই বিদেশমন্ত্রক। ‘নৈতিকতার দায়ে’ পাকিস্তান অনুমতিও দেয়। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত মোদি পাকিস্তানের আকাশ না মাড়িয়ে ঘুরপথে বিশকেক যান। এবং বিশকেক গিয়ে তিনি চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব হন বলেও জানা গিয়েছে। মোদি জিনপিংকে জানিয়ে এসেছেন, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদীদের মদত দেওয়া বন্ধ করতে হবে। পাকিস্তানের উপর চাপ সৃষ্টি করতেও অনুরোধ করেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন:‘দুর্মুখ’ ট্রাম্পকে সামলাতে পম্পেও বললেন ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’]

বৈঠকের শেষেই জিনপিংকে এদেশে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান মোদি। জিনপিংও সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। বিদেশ সচিব বিজয় গোখলে জানিয়েছেন, দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হলেও তা হবে অঘোষিত সামিট। অর্থাৎ, আলোচ্যসূচি পূর্বনির্ধারিত হবে না। যার ফলে, দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান একাধিক ইস্যুতে আলোচনা করতে পারবেন। গতবছর চিনেও দুই দেশের মধ্যে এই অঘোষিত সামিটই হয়েছিল। এবং সেই সামিটেই দুই দেশের সম্পর্কের বরফ অনেকটা গলেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.