Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
India-China

বাড়াবাড়ি করছে ভারত! চিনা ‘দখলদারি’র প্রতিবাদে নয়াদিল্লি সুর চড়াতেই পালটা দিল বেজিং

লাদাখ অতীত, ভারত-চিন সংঘাতের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠবে শাক্সগাম! সীমান্তের ওই এলাকা ঘিরে ইতিমধ্যেই বাগযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে নয়াদিল্লি এবং বেজিংয়ের মধ্যে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ২০:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ২০:২০

options
link
বাড়াবাড়ি করছে ভারত! চিনা ‘দখলদারি’র প্রতিবাদে নয়াদিল্লি সুর চড়াতেই পালটা দিল বেজিং zoom
প্রতীকী ছবি।

লাদাখ অতীত, ভারত-চিন সংঘাতের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠবে শাক্সগাম! সীমান্তের ওই এলাকা ঘিরে ইতিমধ্যেই বাগযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে নয়াদিল্লি এবং বেজিংয়ের মধ্যে। মঙ্গলবার সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছিলেন, শাক্সগাম উপত্যকা নিয়ে চিন-পাকিস্তানের চুক্তিকে ভারত স্বীকৃতি দেয়নি। এবার তার পালটা এল চিনের তরফ থেকে। চিনের জাতীয় সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমসে বলা হয়েছে, শাক্সগাম ইস্যু নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে ভারত।

বুধবার গ্লোবাল টাইমসে লেখা হয়, বর্তমানে ভারতের সঙ্গে চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে যথেষ্ট উন্নতি দেখা গিয়েছে। দুই পক্ষই চায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি বজায় রাখতে। সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে দুই দেশের সেনার মধ্যে ভরসা বাড়াতে চায় দুই দেশই। কিন্তু চিনের বিশ্লেষকদের মতামত উল্লেখ করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘শাক্সগাম নিয়ে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে ভারত। শীর্ষ আধিকারিকদের অনেকেই শাক্সগাম নিয়ে ভ্রান্ত ধারণায় রয়েছেন। ভারত এবং চিনের শীর্ষ নেতৃত্ব শান্তি ফেরাতে যে চেষ্টা করছেন, এই ধরণের মন্তব্যে সেই স্থিতাবস্থা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।’

Advertisement

শীর্ষ আধিকারিকদের অনেকেই শাক্সগাম নিয়ে ভ্রান্ত ধারণায় রয়েছেন। ভারত এবং চিনের শীর্ষ নেতৃত্ব শান্তি ফেরাতে যে চেষ্টা করছেন, এই ধরণের মন্তব্যে সেই স্থিতাবস্থা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, শাক্সগাম উপত্যকার উত্তরে চিনের শিনঝিয়াং অঞ্চল। দক্ষিণ ও পশ্চিমে পাক অধিকৃত কাশ্মীর। ইতিহাস বলছে, ১৯৬৩ সালে এলাকার ৫ হাজার বর্গ কিমি অঞ্চল দখল করে চিনকে ‘উপহার’ দেয় ইসলামাবাদ। উদ্দেশ্য, বেজিং ওই অঞ্চলে সক্রিয় হয়ে ভারতের ঘুম কেড়ে নিক। এবার সেই তুষারাবৃত অঞ্চলেই সংঘাতের কালো মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। চিন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের আওতায় ইতিমধ্যেই ওই অঞ্চলে চিন যে রাস্তা তৈরি করেছে তার দৈর্ঘ্য ৭৫ কিমি। চওড়া ১০ মিটার।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রক আগেই জানিয়েছে, ওই অঞ্চলটি ভারতীয় ভূখণ্ডের অংশ এবং নিজেদের স্বার্থরক্ষার জন্য ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়ার অধিকার নয়াদিল্লির রয়েছে। পাশাপাশি বিদেশ মন্ত্রক উল্লেখ করেছে যে, পাকিস্তান ১৯৬৩ সালে চিনের সঙ্গে যে চুক্তি স্বাক্ষর করে অবৈধভাবে দখল করা এলাকা থেকে শাক্সগাম উপত্যকার ৫,১৮০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল বেজিংকে হস্তান্তর করেছিল, ভারত সেই চুক্তিকে কখনওই স্বীকৃতি দেয়নি। মঙ্গলবার সেই বিষয়টিই আবারও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন সেনাপ্রধান। তার পালটা উড়ে এল চিনের তরফ থেকেও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.