Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
China

‘ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা অত্যন্ত জটিল, মেটাতে সময় লাগবে’, বার্তা বেজিংয়ের

সীমান্ত সংঘাত আলোচনার মাধ্যমে মেটাতে আগ্রহী বেজিং।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ০৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ০৯:৩৪

options
link
‘ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা অত্যন্ত জটিল, মেটাতে সময় লাগবে’, বার্তা বেজিংয়ের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত ও চিনের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত আলোচনার মাধ্যমে মেটাতে আগ্রহী বেজিং। সোমবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সে বার্তায় দিলেন চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং। জানালেন, ‘দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা অত্যন্ত জটিল। মেটাতে সময় লাগবে। তবে সীমান্তে শান্তির লক্ষ্যে সীমানা নির্ধারণে আলোচনায় আগ্রহী আমরা।’

গত ২৬ জুন চিনের কিংডাওতে সাংহাই সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানে চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডং জুনের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেখানে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় উত্তেজনা কমাতে সদর্থক পদক্ষেপ ও সীমান্তের বর্তমান সমস্যা মেটাতে প্রয়োজনীয় আলোচনার পক্ষে বার্তা দেন তিনি। দুই দেশের দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিবাদ মেটাতে দুই দেশের স্বার্থ বজায় রেখে রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়।

Advertisement

রাজনাথ সিংয়ের সেই বার্তার প্রেক্ষিতে সাংবাদিক বৈঠকে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। নিং বলেন, “ইতিবাচক বিষয় হলো দুই দেশ ইতিমধ্যে সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ও শান্তি বজায় রাখতে বিভিন্ন স্তরের একাধিক বৈঠক করেছে। তবে এই সমস্যা অত্যন্ত জটিল যা মেটাতে সময় লাগবে। আমরা আশা করব, ভারত চিনের সঙ্গে এই লক্ষ্যে কাজ করবে। জটিল সমস্যাগুলি মেটাতে আলোচনা প্রক্রিয়া, জারি থাকবে। যাতে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যায়।”

উল্লেখ্য, গালওয়ান সংঘাতের পর সীমান্ত সমস্যা মেটাতে দফায় দফায় আধিকারিক পর্যায়ের বৈঠক করেছে দুই দেশ। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে এই ইস্যুতে ২৩ তম বৈঠক করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। শেষ সেই বৈঠক থেকে সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রফা হয় দুই দেশের। এই বৈঠক শেষে দফায় দফায় সেনা সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নির্দিষ্ট এলাকায় টহল ও স্থানীয়দের পুনরায় পশুচারণের অনুমতি দেওয়া হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.