Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

সিপিইসি-র কায়দায় মায়ানমারে প্রবেশ করল ‘ড্রাগন’, উদ্বিগ্ন ভারত   

বাণিজ্যের মোড়কে সামরিক বলয়, নিশানায় ভারত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৮, ১২:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৮, ১২:১৩

options
link
সিপিইসি-র কায়দায় মায়ানমারে প্রবেশ করল ‘ড্রাগন’, উদ্বিগ্ন ভারত    zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাগপাশ ‘সিপিইসি’। বাণিজ্যের মোড়কে সামরিক বলয়। নিশানায় ভারত। ক্রমে ফাঁস হচ্ছে ‘ড্রাগন’-এর চক্রান্ত। সেই পথেই এবার চিনের রাডারে মায়ানমার। ‘চিন পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর’-এর ধাঁচেই এবার তৈরি হতে চলেছে ‘চিন মায়ানমার  ইকোনমিক করিডর’ (সিএমইসি)। এই মর্মে চিন ও মায়ানমারের মধ্যে আলোচনাও নাকি এগিয়েছে অনেকটা। এই খবরে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি।

একটি রিপোর্ট মোতাবেক, চিনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে মায়ানমারের তিনটি প্রধান শহর-মান্দালয়, ইয়াঙ্গুন ও কায়াকফু শহরের সংযোগ করবে সিএমইসি। এতে ইয়াঙ্গুন ও হিংসায় উত্তপ্ত রাখাইন প্রদেশের মধ্যেও যোগাযোগ আরও সহজ হবে। এই করিডর নিয়ে চিনা সরকারি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে চিনের বিনিয়োগ নিয়ে আশঙ্কা কমছে। পরিকাঠামো উন্নতি ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যেই যে এই বিনিয়োগ তা বুঝতে পারছে বিভিন্ন দেশ। পার্শ্ববর্তী দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক মজবুত করতেই নয়া প্রকল্পে হাত দিয়েছে বেজিং।

Advertisement

[জানেন ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে কেন নাস্তানাবুদ হবে চিন ?]

তবে চিন যাই বলুক না কেন, বেজিংয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে মায়ানমারে অনেকেই উদ্বিগ্ন। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, শ্রীলঙ্কার মতোই মায়ানমারকে ঋণের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছে চিন। ভারতকে সামরিকভাবে বেকায়দায় ফেলতেই এই চাল দিয়েছে কমিউনিস্ট দেশটি। উল্লেখ্য, পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য চিনের থেকে বিশাল অঙ্কের ঋণ নেয় শ্রীলঙ্কা। তবে তা ফেরত দিতে না পেরে, হামবানটোটা বন্দর বেজিংয়ের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয় কলম্বো। এবার মায়ানমারেও সেই ফাঁদ বিছিয়েছে লাল চিন। ভারতের সীমান্তের কাছে সেনাঘাঁটি তৈরি করাই ওই দেশের উদ্দেশ্য।     

উল্লেখ্য, ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ মেগা প্রজেক্টের আওতায় পাকিস্তান ও চিনকে স্থলপথে জুড়তে সিপিইসি প্রকল্প শুরু করে বেজিং। ওই সড়কের একটি অংশ পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে যাওয়ায় প্রবল আপত্তি জানিয়েছে ভারত। সার্বভৌমত্বে আঘাত হেনেছে বেজিং বলেও অভিযোগ দিল্লির। এনিয়ে প্রবল টানাপোড়েন চলছে পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে। চিনের দু’মুখো নীতির সঙ্গে ভারত ভালভাবেই পরিচিত। পাকিস্তানের সঙ্গে জোট বেঁধে ভারতকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টায় খামতি রাখছে না চিন। পাক জঙ্গিদের পরোক্ষে মদত দিচ্ছে বেজিং। এবার সিএমইসি নিয়ে চিনের সঙ্গে ভারতের টানাপোড়েনে নয়া মাত্র যোগ হয়েছে।   

[মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে বিপাকে, প্রেমিকার মাকেই বিয়ে করতে হল যুবককে]                        

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.