Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬

উদ্বেগে ভারত, চিনের দয়ায় পাকিস্তানের হাতে ব্রহ্মস-এর প্রতিপক্ষ  

‘ব্রহ্মস’ মিসাইলের সঙ্গে বিভিন্ন দিক দিয়েই তুলনীয় সিএম-৩০২।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৯, ১২:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৯, ১২:২৮

options
link
উদ্বেগে ভারত, চিনের দয়ায় পাকিস্তানের হাতে ব্রহ্মস-এর প্রতিপক্ষ   zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের অত্যাধুনিক ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রকে টক্কর দিতে এবার পাকিস্তানি নৌসেনার হাতে অত্যাধুনিক সিএম-৩০২ মিসাইল তুলে দিচ্ছে চিন। এর আগেও ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়ে পাকিস্তানের জন্য অত্যাধুনিক রণতরী নির্মাণের কাজ শুরু করেছে ‘ড্রাগন’। 

[তিব্বতে বিপুল সমরসজ্জা চিনের, মোতায়েন শক্তিশালী হাউৎজার কামান]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের হাতে আসতে চলা সিএম-৩০২ জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চিনের ওয়াই জে ১২-র সমগোত্রীয়। শব্দের তিন গুণ গতি সম্পন্ন এই মিসাইলটি। চিনের হুডং-জংঘুয়া জাহাজ-ডকে এই যুদ্ধাস্ত্র বানানো হচ্ছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, ভারতের হাতে থাকা ‘ব্রহ্মস’ মিসাইলের সঙ্গে বিভিন্ন দিক দিয়েই তুলনীয় এই সিএম-৩০২। ২০২১ থেকে এই নয়া মিসাইল হাতে পাবে পাক নৌসেনা। সে বিষয় মাথায় রেখে ভারতেরও পালটা ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।ভারতের কাছে এই পাকিস্তানি ক্ষমতা বৃদ্ধি উদ্বেগের। কারণ এখন থেকে পাকিস্তানি নৌসেনাকে মোকাবিলা করার কৌশল নতুন করে ঠিক করতে হবে ভারতকে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে উদ্বিগ্ন দিল্লি। তবে, ভারতের জন্য স্বস্তির একটি বড় কারণ এই  সিএম-৩০২ কে পুরো মাত্রায় ব্যবহার করার মতো দূরপাল্লার র‌াডার এবং সেন্সর পাকিস্তানের হাতে নেই।  

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়াকে অত্যাধুনিক ‘ব্রহ্মস’ ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করছে ভারত, এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই পাকিস্তানের হাতে এই জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তুলে দেওয়ার রাস্তায় হাঁটল চিন। এছাড়াও, ভারত মহাসাগরে দিল্লির প্রাধান্য এবং ভারতীয় যুদ্ধজাহাজগুলির দাপট খর্ব করতেই পাকিস্তানের হাতে উন্নততর আধুনিক যুদ্ধজাহাজ তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেজিং। পাক-চিন অর্থনৈতিক করিডরের নিরাপত্তা বাড়াতে এবং ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় শক্তির ভারসাম্য তৈরি করতেই পাকিস্তানের ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে চিন। নবনির্মিত যুদ্ধজাহাজগুলি পাকিস্তানের গদর বন্দরে মোতায়েন রাখা হতে পারে। কারণ গদর থেকেই পাক-চিন অর্থনৈতিক করিডর বা হাইওয়ে চিনের জিনজিয়াং প্রদেশের কাশগড় পর্যন্ত গিয়েছে।  

[মার্কিন ‘মাদার অফ অল বম্বস’-এর চেয়েও শক্তিশালী মারণাস্ত্র এবার চিনের অস্ত্রাগারে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.