Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Drone

যুদ্ধের দামামা! পাকিস্তানকে হামলাকারী চারটি ড্রোন দিচ্ছে বেজিং, মার্কিনি অস্ত্রে শান ভারতের

Predator-B, MQ-9 Reaper কিনতে চায় ভরতীয় সেনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২০, ১৫:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২০, ১৫:৫৫

options
link
যুদ্ধের দামামা! পাকিস্তানকে হামলাকারী চারটি ড্রোন দিচ্ছে বেজিং, মার্কিনি অস্ত্রে শান ভারতের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-চিনের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যে সমরসজ্জা বাড়াচ্ছে পাকিস্তানও (Pakistan)। আর তার নেপথ্য অবশ্যই বেজিং (Bejing)। ইসলামাবাদকে চারটি অস্ত্রবাহী ড্রোন (Drone) দিচ্ছে ড্রাগনের দেশ। মুখে বলা হচ্ছে, চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর ও গদর বন্দরে নজর রাখতে এই ড্রোনগুলি ব্যবহার করা হবে।  কিন্তু এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য দেখছে বিশেষজ্ঞ মহল। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা ভাল গোদার বন্দরে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে চিনা নৌবাহিনী। এদিকে বেজিংকে পাল্টা চাপে রাখতে কোমর বেঁধেছে ভারতও। আমেরিকার কাছ থেকে অত্যাধুনিক ড্রোন কিনতে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। ফলে উপমহাদেশীয় অঞ্চলে উত্তেজনার পারদ যে ক্রমশ চড়ছে তার আঁচ এবার বেশ টের পাওয়া যাচ্ছে। দুপক্ষই নিজেদের অস্ত্রে শান দিতে শুরু করেছে।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বেজিং পাকিস্তান সেনার হাতে দুটি ড্রোন সিস্টেম তুলে দিচ্ছে। প্রতিটিতে দুটি ড্রোন ও একটি করে গ্রাউন্ড স্টেশন আছে। ড্রোনগুলি উইং লুং টু (Wing Loong II)-এর অত্যাধুনিক রূপ। পাকিস্তানের সেনার ব্যবহারের জন্য এই ড্রোন তৈরি করা হচ্ছে। উইং লুং টু আদপে অস্ত্রবাহী ড্রোন (Drone), যা একসঙ্গে ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র (Missile) বহণ করতে পারে। পাশাপাশি অনেক উঁচু থেকে নজরদারি চালাতেও ওস্তাদ উইং লুং টু (Wing Loong II)। এশিয়ার বহু দেশে এই ড্রোন বিক্রি করেছে বেজিং (Bejing)। এবার সেই তালিকায় পাকিস্তানের (Pakistan) নাম জুড়তে চলেছে। ভারত-চিন উত্তেজনার মাঝেই পাকিস্তানের হাতে এই অস্ত্র আসায় কিছুটা হলেও চিন্তিত ভারতীয় সেনা।

Advertisement

[আরও পড়ুন : প্রকৃতির মার! গালওয়ান নদীতে বন্যার আশঙ্কায় সীমান্ত থেকে পিছনোর পথে চিনা সেনা]

ইতিমধ্যে তাঁরা মার্কিন ড্রোন (Drone) প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর একাংশের মতে, নজরদারি ও হামলার জন্য আলাদা আলাদা ড্রোন কেনা হোক। কিন্তু সে কথায় সায় নেই বিশেষজ্ঞদের। তাই ভারতীয় সেনা মার্কিন ড্রোন প্রেডেটর-বি (Predator-B)-এর দিকে। এই ড্রোনগুলি নজরদারি চালাতে কার্যক্ষম। ফলে সহজেই শত্রুর ঘরে উঁকি মেরে ইনটালিজেন্স রিপোর্ট তৈরিতে সাহায্য করবে। তেমনই আবার লেজার বোমা বা মিসাইল দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতেও সক্ষম। খুব শীঘ্রই ভারতীয় সেনার হাতে এই ড্রোন আসবে বলে খবর। আবার ভারতীয় নৌসেনা বাহিনী MQ-9 Reaper কেনার দিকও খতিয়ে দেখছে। এই এয়ারক্রাফ্ট মিসাইল ও ৫০০ পাউন্ড ওজনের লেজার বোমা নিয়ে চালক ছাড়াই উড়তে পারে। যা ইরাক-সিরিয়া যুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিল। ফলে ভারতীয় সেনার হাতে এই অস্ত্রগুলি চলে এলে বেজিং এবং পাকিস্তান যে পাল্টা চাপে পড়বে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

[আরও পড়ুন : সাঁড়াশি চাপে বেজিং, দক্ষিণ চিন সাগরে আণবিক রণতরী পাঠাল আমেরিকা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.