BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ভারত-মার্কিন সামরিক জোট নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় চিন

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 17, 2016 4:02 pm|    Updated: May 17, 2016 4:18 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-মার্কিন সামরিক জোট নিয়ে যে চিন ও পাকিস্তান কতটা উদ্বিগ্ন তার প্রমাণ মিলল পেন্টাগনের দাবির বিরুদ্ধে চিনা প্রতিক্রিয়ায়৷ চিন ভারত সীমান্তে ব্যাপক সেনা সমাবেশ করে যুদ্ধের প্রস্তুতি চালাচ্ছে বলে জোরালো দাবি জানায় মার্কিন সামরিক সদর দফতর পেন্টাগন৷ উপগ্রহ চিত্র ও গোয়েন্দা তথ্যকে ভিত্তি করেই ওই দাবি করে পেন্টাগন এবং চিনের আগ্রাসী ভূমিকার বিরু‌দ্ধে সরব হয়৷ এখন ওই দাবির বিরুদ্ধে সোমবার চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রক একহাত নিয়েছে পেন্টাগনকে৷ দৃশ্যত ক্রুদ্ধ চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রকের মুখপাত্র ইয়াং ইউজিন জানিয়েছেন, আমেরিকা অহেতুক ‘হাওয়া গরম’ করছে চাইছে৷ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভারত ও চিনের মধ্যে বিরোধ বাড়াতে চাইছে৷ টেনশন বাড়াতে চাইছে দক্ষিণ এশিয়ায়৷ চিন আমেরিকার এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করছে৷ এর ফলে ওয়াশিংটন ও বেজিং-এর মধ্যে অবিশ্বাস, সন্দেহ ও দূরত্ব তৈরি হল৷ আমেরিকা ইচ্ছাকৃতভাবে, ঠান্ডা মাথায় চিনের ভাবমূর্তি খারাপ করছে৷ এজন্য আমেরিকা সবরকম খারাপ পথ অবলম্বন করছে৷

তিনি জানান, এশিয়ায় চিনের আর্থিক, বাণিজ্যিক অগ্রগতি রুখতে কৌশলগতভাবে ভারতকে ব্যবহার করছে আমেরিকা৷ আমেরিকার হয়ে এই উস্কানিমূলক কাজ করছে পেন্টাগন৷ কিন্তু ওদের জানা উচিত, চিনের প্রতিরক্ষানীতি আক্রমণাত্মক নয়, গোটাটাই আত্মরক্ষামূলক ও শান্তিপূর্ণ৷ কোনও অভিসন্ধি নিয়ে চিন কোথাও সেনা মোতায়েন করেনি৷ যদিও পেন্টাগন অনড় থেকে জানিয়েছে, লাদাখ ও অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তে বিপুল সংখ্যক সেনা সমাবেশ করেছে চিন৷ গড়ে তোলা হচ্ছে সামরিক পরিকাঠামো ও সেনা ছাউনি৷ ভারী ভারী সামরিক যান ও সাঁজোয় গাড়ির সমাবেশ বাড়ছে৷ ভারতের নিরাপত্তা ও এশিয়ার ভারসাম্যকে বিঘ্নিত করবে এই ঘটনা৷

লিখিত বিবৃতি দিয়ে ইউজিনের পাল্টা দাবি, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর শান্তি ও সুস্থিতি বজায় রাখতে ভারত ও চিন যৌথভাবে দায়বদ্ধ৷ এ ব্যাপারে ভারত ও চিনের সেনা কর্তাদের মধ্যে সবসময় মসৃণ যোগাযোগ রয়েছে৷ দু’দেশের সরকারও যোগাযোগ রেখে চলে৷ ভারত সীমান্তে এখন কোনও উত্তেজনা বা ভুল বোঝাবুঝি নেই৷ এ ব্যাপারে আমেরিকা যা রটাচ্ছে তা ভিত্তিহীন৷ ভারতের অবশ্য উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ ঘটেনি৷ বিশ্বের বিভিন্ন্ প্রান্তে চিনের লাল ফৌজের সমাবেশ ও সংখ্যা নিয়ে সম্প্রতি একাধিকবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমেরিকা৷ আফ্রিকার খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ দেশ সুদান, জাইরে, সিয়েরা লিওন, পাকিস্তান, মায়ানমার-সহ বেশ কিছু দেশে লাল ফৌজের সমাবেশে উদ্বিগ্ন আমেরিকা৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement