সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘মৎস্য মারিব খাইব সুখে।’ ডাল, ভাজা আর একটু মাছের ঝোল। এ তো সুখ বটেই। পাতে মাছ হলেই আম বাঙালির মোটামুটি চলে যায়। রুই-কাতলাই হোক বা পমফ্রেট, পাতে একটু আঁশটে গন্ধ না পেলে পেট ভরলেও মন যেন ভরে না। ভারতে সব থেকে বেশি মৎস্য উৎপাদন হয় পশ্চিমবঙ্গে। তবে এবার সেই মাছের উপরও খবরদারি করছে চিন। সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
[কাশ্মীরে পিডিপি-র হাত ধরছে কংগ্রেস! জল্পনা উসকে গোপন বৈঠক]
জানা গিয়েছে, বিশ্বের ২৩.১৬ শতাংশ মাছ ধরার নৌকা বা জাহাজের মালিকানা চিনের। অর্থাৎ চিনের কাছে রয়েছে ১৭ লক্ষ মাছ ধরার জলযান। ফলে অন্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি অভিযানে যাচ্ছেন চিনা মৎস্যজীবীরা। ২০২০-র মধ্যে মাছের উৎপাদন ২৩ লক্ষ টন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিউনিস্ট দেশটি। গভীর সাগরে যত মাছ ধরা হয় তার এক চতুর্থাংশ যায় চিনের ঘরে। এমনই পরিস্থিতিতে এবার অন্য দেশের জলসীমায় হানা দিচ্ছে চিনারা। উঠেছে সুদূর সাগরে পাড়ি দিয়ে আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া-সহ একাধিক দেশের জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মৎস্যজীবীদের গভীর সাগরে পাড়ি দেওয়ার জন্য ভরতুকি দেয় বেজিং। ফলে এখনও লাভজনক স্থিতিতেই রয়েছে ওই দেশের মৎস্যজীবীরা।
আন্তর্জাতিক জলরাশিতে পাড়ি দিলেও নিজেদের জলসীমায় মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বেজিং। প্রসঙ্গত, অত্যাধিক শিকারের ফলে চিনা জলে মাছের সংখ্যা অত্যন্ত কমে গিয়েছে। একইভাবে সাগরের সম্পদও সীমিত। যত না মাছ বাড়ছে তার থেকে বেশি শিকার করা হচ্ছে। ফলে বিপজ্জনকভাবে কমছে মাছের সংখ্যা। যদিও তা নিয়ে বিশেষ মাথাব্যথা নেই ওই দেশের। এদিকে এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়তে পারে ভারত-সহ একাধিক দেশ। বিপুল জনসংখ্যার খাবার জোগান দিতে সামুদ্রিক মাছের উপর অনেকটাই ভরসা করতে হয় এই দেশগুলিকে। ফলে সাগরে চিনা আগ্রাসন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
[রাজ্যে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে দিল্লিতে ধরনায় বিজেপির বঙ্গ-ব্রিগেড]
সর্বশেষ খবর
-
আজ জানে কি জিদ না করো… চোখের জলে মহাকাব্যে ইতি টানলেন মহানায়ক রোনাল্ডো
-
লাস্ট ডান্সেও অধরা মাধুরী, স্পেনের কাছে হেরে শূন্য হাতেই বিশ্বকাপকে চিরবিদায় রোনাল্ডোর
-
কাচ বসানো বালা পরিয়ে বৃদ্ধার ৫০ লক্ষের হিরের গয়না হাতিয়ে পালায় আয়া! কী হল তারপর?
-
চুলের মুঠি ধরে মার! কলেজ প্রজেক্টের ছবি তুলতে গিয়ে হেনস্থার শিকার ৪ ছাত্রী
-
বাবা-ছেলেকে অপহরণ করে ১০ লক্ষ মুক্তিপণ দাবি! ধৃত ৩