Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Afghanistan

আমেরিকার বিপর্যয়ে পোয়াবারো চিনের, বহুমূল্য খনিজের সন্ধানে আফগানিস্তানে হাজির চিনারা

ব্যাটারি নির্মাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদার্থ হচ্ছে লিথিয়াম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০২১, ০৯:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০২১, ০৯:২৪

options
link
আমেরিকার বিপর্যয়ে পোয়াবারো চিনের, বহুমূল্য খনিজের সন্ধানে আফগানিস্তানে হাজির চিনারা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানে আমেরিকার বিপর্যয়ে পোয়াবারো চিনের (China)। এবার যুদ্ধজর্জর দেশটিতে বহুমূল্য খনিজের সন্ধানে হাজির হয়েছে চিনারা। জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানে মজুত বহুমুল্য লিথিয়াম ধাতুর সন্ধান শুরু করবে বেজিং থেকে আসা বিশেষজ্ঞদের দলটি।

[আরও পড়ুন: বিতর্কের কেন্দ্রে এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম, রুশ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে টানাপোড়েন ভারত-আমেরিকার]

ব্যাটারি নির্মাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদার্থ হচ্ছে লিথিয়াম। যানবাহন, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ ইত্যাদিতে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। ফলে এই পদার্থের গুরুত্ব অপরিসীম। মূলত চিন থেকেই ব্যাটারি শিল্পের কাঁচামাল এবং খনিজ আকরিক আসে ভারতের মতো দেশগুলিতে। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা লিথিয়ামের ভাণ্ডার নিজেদদের বাগে আনতে চাইছে জিনপিং প্রশাসন। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে, বিশেষ ভিসায় আফগানিস্তানে পৌঁছে কাজ শুরু করে দিয়েছেন চিনা বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যে লিথিয়াম খনির খোঁজে বেশ কয়েকটি জায়গায় পরীক্ষা চালিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমেরিকাকে কোণঠাসা করতে তালিবানের পাশে দাঁড়িয়েছে চিন। তাছাড়া, সেখানে ভারতের প্রভাব খর্ব করতেও মরিয়া বেজিং। একইসঙ্গে, পাহাড়ি দেশটির কয়েক লক্ষ কোটি টাকার বহুমূল্য খনিজ ভাণ্ডারের দখল নিতেও সচেষ্ট হয়েছে ধূর্ত চিন।

উল্লেখ্য, টুইন টাওয়ার হামলার পর আফগানিস্তানে প্রায় দুই দশক ধরে যুদ্ধ করেছে আমেরিকা। আর সেই যুদ্ধ শেষ করায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন মার্কিন বিশেষ দূত জালমে খলিলজাদ। কাতারের রাজধানী দোহায় বিগত বছর দুয়েক ধরে তালিবানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। কার্যত, তাঁর জন্যই আফগানিস্তান নিয়ে তালিবানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করে আমেরিকা এবং সেদেশ থেকে ফৌজ সরিয়ে ফেলে ওয়াশিংটন। কিন্তু গত আগস্ট মাসে পাহাড়ি দেশটি থেকে মার্কিন ফৌজ চলে যাওয়ার পর কাবুল দখল করে তালিবান। আর তারপর থেকেই সেখানে উপস্থিতি বড়াচ্ছে চিন ও রাশিয়া। 

[আরও পড়ুন: গুলি করে পাক বিমান নামানো ভুয়ো গল্প, অভিনন্দনের ‘বীর চক্র’ সম্মান নিয়ে কটাক্ষ পাকিস্তানের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.