Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
করোনা ভাইরাস

‘করোনার ভয়াবহতা জেনেও বিশ্বকে সতর্ক করেনি চিন’, বিস্ফোরক হংকংয়ের ভাইরোলজিস্ট

চিনা প্রশাসনের ভয়ে হংকং থেকে পালিয়ে আমেরিকায় আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২০, ১০:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২০, ১০:৪১

options
link
‘করোনার ভয়াবহতা জেনেও বিশ্বকে সতর্ক করেনি চিন’, বিস্ফোরক হংকংয়ের ভাইরোলজিস্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উদাসীনতা নাকি ষড়যন্ত্র? করোনা সম্পর্কে চিন যে গোটা বিশ্বের কাছে তথ্য গোপন করেছিল, তা কমবেশি সকলেরই জানা। আমেরিকা বারবার অভিযোগ করেছে, চিন সরকার তথ্য গোপন করার জন্যই বিশ্বজুড়ে আজ ভয়াবহ রূপ নিতে পেরেছে করোনা। এবার চিন সরকারের বিরুদ্ধে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন হংকংয়ের ( Hong Kong) ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান (Dr. Li-Meng Yan)। তাঁর অভিযোগ, বিশ্ববাসীকে সতর্ক করার অনেক আগে থেকেই করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জানত চিন সরকার। কিন্তু তা প্রকাশ্যে আনেনি তাঁরা।

Coronavirus

Advertisement

ডাঃ লি মেং ইয়ান হংকংয়ের স্কুল অফ পাবলিক হেলথের ভাইরোলজি ও ইমিউনোলজি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করতেন। গত ২৮ এপ্রিল চিন সরকারের দৃষ্টি এড়িয়ে হংকং থেকে আমেরিকায় পালিয়ে যান তিনি। তাঁর অভিযোগ, করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে অনেক আগে জানত চিন। তিনি নিজেও এ বিষয়ে গবেষণা করেছিলেন। কিন্তু তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে চিন সরকার তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করে। তাঁর উপর সাইবার আক্রমণ করা হয়। তাতেও কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সরকারি ‘গুন্ডা’রা আক্রমণ করে তাঁর উপর। প্রাণ বাঁচাতে আমেরিকায় পালিয়ে যান তিনি।

[আরও পড়ুন: মসজিদে বদলে যাচ্ছে ঐতিহাসিক হেগিয়া সোফিয়া, ফের ইসলামিকরণের পথে তুরস্ক]

একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই গবেষক বলছেন,” গতবছর ডিসেম্বরের আগেই চিনে সার্স ১-এর মতো ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু এই ভাইরাসের চরিত্র ছিল সার্সের থেকে আলদা। আমার সুপারভাইজারকে এই ভাইরাসের বিষয়ে জানিয়েছিলাম। কিন্তু, তিনি গুরুত্ব দিতে চাননি। তাই চুপিচুপি আমি গবেষণা শুরু করি। আমার গবেষণার বিষয়ে জানার পরই আমাকে চাপ দিতে থাকে সরকার। আমার কম্পিউটারে সাইবার আক্রমণ হয়।” ইয়ান বলেন, “৩১ ডিসেম্বরই আমি জানতে পারি করোনা মানুষের থেকে ছড়ায়। কিন্তু চিন WHO-কে অনেক পড়ে এই ভাইরাস সম্পর্কে তথ্য দেয়। শুধু তাই নয়, শুরুর দিকে করোনার কথা বলা হলেও, এর ভয়াবহতা সম্পর্কে গোপন করে গিয়েছে চিন সরকার।” ইয়ানের অভিযোগ, WHO’র উপদেষ্টা প্রফেসর মালিক পেইরিসও ভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে আগে থেকে জানতেন। কিন্তু তিনিও এ নিয়ে মুখ খোলেননি। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.