BREAKING NEWS

৭  আশ্বিন  ১৪২৯  মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

সম্মুখসমরে বেজিং-ওয়াশিংটন! দক্ষিণ চিন সাগরে মুখোমুখি দু’দেশের রণতরী

Published by: Tanujit Das |    Posted: October 2, 2018 5:31 pm|    Updated: October 2, 2018 5:33 pm

Chinese Warship Sails Close To US Destroyer in South China Sea

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ চিন সাগরে মুখোমুখি চিন ও আমেরিকার নৌসেনার দুটি যুদ্ধ জাহাজ৷ জানা গিয়েছে, মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ডেকাটুরের মহড়ার সময় তার সামনে চলে আসে একটি চিনা যুদ্ধ জাহাজ৷ দীর্ঘক্ষণ পরে পিছু হঠতে বাধ্য হয় মার্কিন রণতরীটি৷ এমনিতেই দক্ষিণ চিন সাগরকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ঠান্ডা লড়াই চলছে চিন ও আমেরিকার মধ্যে৷ কোনও পক্ষই একে অপরকে রেয়াত করতে রাজি নয়৷ বিভিন্ন সময়ে পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে সরব হয়৷ এমত পরিস্থিতিতে এই ঘটনা দক্ষিণ চিন সাগরের পরিবেশ আরও উত্তপ্ত করল বলে অনুমান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের৷

[ক্যানসার প্রতিরোধের উপায় বাতলে নোবেল জয় দুই চিকিৎসাবিজ্ঞানীর]

জানা গিয়েছে, রবিবার দক্ষিণ চিন সাগরে “freedom of navigation operation” নামক একটি মহড়া চালাচ্ছিল মার্কিন নৌসেনা৷ যাতে অংশগ্রহণ করে ইউএসএস ডেকাটুর নামে মার্কিন নৌসেনার মিসাইল গাইডেড একটি ডেস্ট্রয়ার৷ দক্ষিণ চিন সাগরের প্রত্যন্ত স্পার্টলি দ্বীপের গাভেন ও জনশন রিফ থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল দূরে চলছিল এই মহড়াপর্ব৷ অভিযোগ, হঠাৎ করেই মার্কিন রণতরীর সামনে চলে আসে লুয়াঙ্গ নামের চিনা ডেস্ট্রয়ারটি৷ মার্কিন রণতরীকে একই স্থানে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখে সেটি৷ অবশেষে বাধ্য হয়ে পিছু হঠে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারটি৷ এই ঘটনার পরেই চিনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে আমেরিকা৷ চিনের এই ব্যবহারকে অপেশাদার কার্যক্রম বলে সমালোচনা করেছে মার্কিন কমান্ডার নেথ খ্রিস্টেনসেন৷ পালটা তোপ দেগেছে চিনও৷ তাঁদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘন করেছে আমেরিকা৷

[জন্মজয়ন্তীতে গান্ধীজিকে বিরল সম্মান দেওয়ার প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসে]

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মহলের চোখের আড়ালে দক্ষিণ চিন সাগরে কার্যত নিরাপত্তার চক্রব্যূহ তৈরি করে ফেলেছে চিন৷ সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি চাঞ্চল্যকর অভিজ্ঞতা প্রকাশ্যে এনেছেন মার্কিন বায়ুসেনার এক অফিসার৷ লেফটেন্যান্ট ডায়না কাউলিন জানান, কয়েক মাস আগে টহল দিতে দিতে দক্ষিণ চিন সাগরে মিসচিফ রিফের খুব কাছ পৌঁছে যান তিনি৷ তখনই বিমানের মধ্যে থাকা রেডিও সিস্টেমে ভেসে ওঠে বিকট একটি হুঁশিয়ারি৷ তিনি শোনেন পরিষ্কার ইংরাজিতে কেউ তাঁকে হুমকি দিচ্ছেন৷ ওই হুমকি রেডিও বার্তায় ভেসে আসে, ‘আমাদের (চিন) সার্বভৌমত্বের উপরে হস্তক্ষেপ করছেন আপনি৷ আমাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে৷ এখনই এই স্থান ছেড়ে অনেক দূরে চলে যান৷ ফল ভাল হবে না৷’

চিনের এহেন কাজ প্রকাশ্যে আসায় আশঙ্কা প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরাও৷ তাঁদের মতে, বিশ্ববাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এই গুরুত্বপূর্ণ পথকে এখন পুরোপুরি তাঁদের কব্জায় করে ফেলেছে লাল চিন৷ আন্তর্জাতিক মহলের অগোচরে ওই অঞ্চলে কার্যত চক্রব্যূহের সৃষ্টি করেছে তাঁরা৷ যা মার্কিন রেডিও সিস্টেমের ফ্রিকোয়েন্সিকেও হ্যাক করতে সক্ষম হচ্ছে৷ এবং দক্ষিণ চিন সাগরের বেশি কাছাকাছি গেলেই প্রতিপক্ষের কাছে সতর্কবার্তা পৌঁছে দিচ্ছে৷

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে