সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯৬২ সালে সিনো-ইন্দো যুদ্ধের পর ফের নেপাল-ভুটান ও মায়ানমার দিয়ে ভারতে হামলা চালানোর ছক কষেছিল বেজিং। বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। সম্প্রতি এক নথি প্রকাশ করেছে সিআইএ। তাতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ এক মাসের সিনো-ইন্দো যুদ্ধের পরই ফের ভারতে আক্রমণ করতে উদ্যত হয়েছিল বেজিং।
(বুরহানকে নিকেশ করার জন্য সেনা মেডেল রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের তিন জওয়ানকে)
সিআইএ-কে উদ্ধৃত করে হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ওয়েবসাইটে একটি গোপন নথিতে বলা হয়েছে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর চিন ফের একবার ভারতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। প্রসঙ্গত, তিব্বত নিয়ে মাথা গলানো, সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিবাদের জেরে চিনের সঙ্গে যুদ্ধ বাধে ভারতের। প্রায় এক মাস ধরে চলা যুদ্ধের পর চিন একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে এবং ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে সেনা প্রত্যাহার করে।
(দিল্লি থেকে মুম্বই যাত্রা ১ ঘন্টায়, নয়া উদ্যোগ মোদি সরকারের)
ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি বা ডিআইএ-র রিপোর্ট অনুযায়ী, চিনা কমিউনিস্ট সরকার ভারতকে মোটেও বন্ধুর নজরে দেখেনি। এমনকী লাদাখ, নেপাল, ভুটান এবং অসম সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে হামলা চালাতেও সক্ষম ছিল বেজিং। নথিতে এও বলা হয়েছে, চিন ভারতে হামলা চালিয়ে লেহ ও অধুনা উত্তরাখণ্ডের যোশিমঠে সেনা মোতায়েন করে গোটা উত্তরাঞ্চলের দখল নিয়ে নিত। একইসঙ্গে গুয়াহাটি থেকে গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা ছিল চিনের। পাশাপাশি সিআইএ-র তথ্য অনুযায়ী, হিমালয়ান সেক্টর-সহ গোটা উত্তর ভারতে আকাশপথেও নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা ছিল চিনের। কারণ, ওই অঞ্চলে ভারতের বায়ুসেনা ঘাঁটি কম ছিল।
(যৌন কেলেঙ্কারির দায়ে ইস্তফা দিলেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল)
সর্বশেষ খবর
-
‘কারও নামে বদনাম করিনি’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই নেতাজি নিয়ে সুরবদল অনন্ত মহারাজের
-
ইউক্রেনের ব্যাঙ্কের সঙ্গে বিবাদ! যুদ্ধের মাঝে রাশিয়ায় বড় দায়িত্বে ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি
-
‘সময় ঠিক করুন, সব প্রশ্নের জবাব দেব’, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বিরোধীদের পালটা চাপ শাহের
-
খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো প্রত্যাবর্তন! কুয়েতের দলকে উড়িয়ে এসিএল টু-র মূল পর্বে ইস্টবেঙ্গল
-
‘শাহী’ বৈঠকে রফাসূত্র, কুড়মালি ভাষা অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্তিতে সবুজ সংকেত!