Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
করোনা ভাইরাস

নাম বদল করোনা ভাইরাসের, দেড় বছরের মধ্যেই আবিষ্কৃত হবে টিকা!

ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিনে হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২০, ১৩:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২০, ১৩:১৬

options
link
নাম বদল করোনা ভাইরাসের, দেড় বছরের মধ্যেই আবিষ্কৃত হবে টিকা! zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর ‘ইউহান করোনা ভাইরাস’ বা ‘চিনা করোনা ভাইরাস’ নয়। প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাস এবার নতুন নাম পেল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এবার থেকে এই ভাইরাসের অফিশিয়াল নাম COVID-19। ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিনে হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ হাজারেরও বেশি। উত্তরোত্তর ছড়াচ্ছে করোনা আতঙ্ক। তবে এর পাশাপাশি একটি সুখবরও জানিয়েছে WHO। আর দেড় বছরের মধ্যে এই ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করে ফেলবেন বিজ্ঞানীরা। WHO-এর প্রধান টেড্রোস অ্যাধানম মঙ্গলবার একথা জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় চিনে মারা গিয়েছেন ১০৮ জন। চার হাজার জন নতুন করে আক্রান্ত হন। চিনের হুবেই প্রদেশেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ। সম্প্রতি চিনে প্রশ্ন উঠেছিল, করোনাভাইরাস দমনে রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের ভূমিকা নিয়ে। সাধারণ মানুষ তাঁর অবস্থান জানতে চেয়েছিলেন। সাধারণের কথা মতো, মঙ্গলবার দেখা দেন রাষ্ট্রপতি। দেশের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজে মাস্ক পরে, হাত গ্লাভসে মুড়ে হুবেই প্রদেশের হাসপাতালগুলি পরিদর্শনে আসেন। দেখা করেন করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সঙ্গে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বুঝতে কথা বললেন স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে। পরে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি বলেন, “চিন করোনাভাইরাসের মতো দৈত্যের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই করছে। শুধুমাত্র সংস্পর্শেই এই রোগের সংক্রমণ এতটাই ছড়িয়ে পড়ছে, যা সার্সের চেয়েও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।”

Advertisement

[ আরও পড়ুন: করোনা-পরিস্থিতি বুঝতে মাস্ক পরে নিজেই হাসপাতালে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্ট ]

করোনাভাইরাসের জন্মদাতা ইউহানের বায়োসেফটি ল্যাবরেটরি লেভেল ফোর। আর এই কথা আগে থেকেই জানত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। এমন বিস্ফোরক দাবি জানিয়েছেন, মার্কিন আইনজীবী, রাসায়নিক মারণাস্ত্র বিরোধী সংগঠনের অন্যতম সদস্য ড. ফ্রান্সিস বয়েল। তাঁর উদ্যোগেই ১৯৮৯ সালে ‘বায়োলজিক্যাল ওয়েপনস অ্যান্টি-টেররিজম অ্যাক্ট’-এর বিল পাস হয়। নোভেল করোনাভাইরাস যে নিছকই কোনও ভাইরাসের সংক্রমণ নয়, সে বিষয়ে আগেও মুখ খুলেছিলেন ড: ফ্রান্সিস। ইজরায়েলি গোয়েন্দা ও মাইক্রোবায়োলজিস্টদের দাবির সমর্থন জানিয়েই ড. ফ্রান্সিস বয়েল বলেন, ইউহানের ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির বায়োসেফটি লেভেল ফোর ল্যাবোরেটরিতে অতি গোপনে রাসায়নিক মারণাস্ত্র বানানোর প্রক্রিয়া চলছে। সেখান থেকেই ছড়িয়েছে এই ভাইরাসের সংক্রমণ। সি-ফুড মার্কেটের ব্যাপারটা নেহাতই চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা। সব জেনেও কেন চুপ করে রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

[ আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় পাশে দাঁড়াল ভারত, প্রশংসায় পঞ্চমুখ চিন   ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.