২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘দিন দিন আরও ভয়াবহ হচ্ছে পরিস্থিতি’, করোনা নিয়ে নয়া আশঙ্কা WHO কর্তার

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: June 9, 2020 9:43 am|    Updated: June 9, 2020 9:43 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোভেল করোনা ভাইরাস নামক মহামারি আগেই বিশ্বজুড়ে জাল বিছিয়েছে। এবার পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে এগোচ্ছে। ক্রমশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে COVID-19 সংক্রমণ। রবিবার একদিনে বিশ্বজুড়ে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হওয়ার পর এমনই উদ্বেগের কথা শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর-জেনারেল টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস (Tedros Adhanom Ghebreyesus)।

WHO-এর ডিরেক্টর-জেনারেল সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, দিন দিন পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। গত দশদিনের মধ্যে ৯ দিনই ১ লক্ষের বেশি মানুষ করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। এবং এর বেশিরভাগটাই আসছে ল্যাটিন আমেরিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি থেকে। যা আরও বিপজ্জনক। কারণ, তথাকথিত এই অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবস্থা তথৈবচ। বর্ণবৈষম্য নিয়ে আমেরিকা-সহ বিশ্বজুড়ে যে বিক্ষোভ হচ্ছে, তাতে সমস্যা আরও বাড়ছে বলেই মনে করছেন ঘেব্রিয়েসুস। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে এই লড়াইকে সমর্থন করে। আমরা সমানাধিকারে বিশ্বাসী। তবে একই সঙ্গে বলব, যারা বিক্ষোভ করছেন তাঁরা নিজেদের সুরক্ষার কথা খেয়াল রাখুন। অন্যদের থেকে অন্তত ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন। বারবার হাত ধুয়ে ফেলুন। মাস্ক বা ফেসকভার ব্যবহার করুন।’

[আরও পড়ুন: ‘উপসর্গহীন রোগীদের থেকে খুবই কম ছড়ায় করোনা’, বড়সড় স্বস্তির কথা শোনাল WHO]

সোমবারের ভারচুয়াল সাংবাদিক বৈঠকে WHO-এর ডিরেক্টর-জেনারেল বলেন,”ইউরোপের দেশগুলিতে পরিস্থিতির সাময়িক উন্নতি হলেও, বিশ্বজুড়ে ভয়াবহতা বাড়ছে করোনার। গত দশদিনের মধ্যে ৯ দিনই ১ লক্ষের বেশি মানুষ করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। শুধু গতকালই (পড়ুন রবিবার) ১ লক্ষ ৩৬ হাজার মানুষ করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। একদিনে এই সংখ্যাটা সর্বোচ্চ।” আরও উদ্বেগের বিষয় হল রবিবারের এই বিশাল সংখ্যক সংক্রমণের ৭৫ শতাংশই আমেরিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির বাসিন্দা। ঘেব্রিয়েসুস মনে করছেন, যে দেশগুলিতে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, সেসব দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আত্মতুষ্টি।”মহামারি ছড়ানো ৬ মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তাই কোনও দেশের জন্যই এটা ঢিলেমির সময় নয়”, বলছেন WHO এর শীর্ষকর্তা। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement