Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Cuba

‘হামলা হলে ফল ভালো হবে না’, ইরান যুদ্ধের মাঝেই ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা কিউবার প্রেসিডেন্টের

চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের পর থেকে কিউবার পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর। দীর্ঘ বছর ধরে কিউবার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে আমেরিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ২১:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ২১:১৭

options
link
‘হামলা হলে ফল ভালো হবে না’, ইরান যুদ্ধের মাঝেই ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা কিউবার প্রেসিডেন্টের zoom
গ্রীষ্ম শেষের আগেই কিউবায় 'রিজিম চেঞ্জ' চান ট্রাম্প!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পর তাদের নজর কিউবার দিকে। দেশের আকাশে যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত হতেই আমেরিকাকে পালটা সতর্কবার্তা দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল। জানালেন, ‘কিউবার হামলা হলে আমেরিকাকে এর অনেকখানি মূল্য চোকাতে হবে। কিউবার উপর কোনওরকম হামলা গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করবে।’

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসনের জেরে জ্বালানি তেলের সংকটে জর্জরিত দেশটি। এই পরিস্থিতির মাঝেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দিয়াজ কানেল বলেন, “আমেরিকা যদি হামলা চালায় তবে কিউবার মানুষ দেশরক্ষায় নিজের জীবন বাজি রাখবেন। আমি মনে করি না, কিউবার উপর হামলা চালানো বা প্রেসিডেন্টকে অপহরণ করার জন্য আমেরিকার পর্যাপ্ত কোনও কারণ রয়েছে। তারপরও যদি হামলা হয় তবে যুদ্ধের জন্য আমরা প্রস্তুত। প্রয়োজনে আমরা জীবনও দিয়ে দেব। আমাদের জাতীয় সঙ্গীতে লেখা রয়েছে, দেশের জন্য মরা মানেই বেঁচে থাকা।”

Advertisement

প্রেসিডেন্ট দিয়াজ কানেল বলেন, ‘আমেরিকা যদি হামলা চালায় তবে কিউবার মানুষ দেশরক্ষায় নিজের জীবন বাজি রাখবেন।’

চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের পর থেকে কিউবার পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর। দীর্ঘ বছর ধরে কিউবার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে আমেরিকা। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে এতদিন ভেনেজুয়েলা ছিল কিউবার একমাত্র সহায়। এখান থেকে ভর্তুকিতে জ্বালানি তেল-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ হত কিউবাতে। সব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটির অর্থনীতির কার্যত শ্বাসরোধ হয়েছে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই কিউবায় তেল সরবরাহ বন্ধ। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক দুরবস্থা, জ্বালানিসংকট ও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় কিউবার পরিস্থিতি বর্তমানে তথৈবচ। দেশজুড়ে বিদ্যুৎ-বিভ্রাট বাড়ছে, হাসপাতালে অস্ত্রোপচার কমিয়ে আনা হয়েছে, খাদ্য ও জ্বালানির ঘাটতি তীব্র হয়েছে, পর্যটকরা আসছেন না দেশটিতে। এককথায় দেশটি মানবিক জরুরি অবস্থার দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে।

এই অবস্থায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে দেশটি। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা লক্ষ্য, হাভানার কমিউনিস্ট সরকারকে পতন ঘটানো। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তৎপরতা। ভেনেজুয়েলায় মাদুরোকে গ্রেপ্তারের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা গোপনে ভেনেজুয়েলার প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সরকার পতনের পর সেখানকার নেতাদের উপর দায়িত্ব ন্যস্ত হলেও নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার হাতে। একই ছকে এখন কিউবার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গেও আমেরিকা একই ধরনের যোগাযোগ খুঁজছেন বলে জানা যাচ্ছে। এই অবস্থায় কিউবার প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, “দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় কোনও পরিবর্তন আনা হবে না। আমরা যদি আমেরিকার কাছে আমাদের রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি না করি, তবে আমেরিকা আমাদের বাধ্য করতে পারে না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.